Robot Teacher: সরকারি স্কুলে এবার ক্লাস নেবে রোবট শিক্ষক! বড় পদক্ষেপ এই রাজ্যের | Telangana to Introduce Robotic Teachers in Classrooms
হায়দরাবাদ: রোবট যখন শিক্ষক। কখনও ভেবে দেখেছেন বিষয়টা? অবশ্য ভাবার আগেই কাজ হয়ে যাচ্ছে। এআই এখন সর্বত্র। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অসাধ্য সাধন হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে হিউম্যানয়েড রোবট শিক্ষক। এখানেই শেষ নয়, সেই রোবটই স্কুলে স্কুলে গিয়ে ক্লাস নিচ্ছে। এবার সরকারি স্কুলে সেরকমই রোবট শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। বড় পদক্ষেপ তেলাঙ্গানা সরকারের। সরকারি স্কুলে শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে খবর।
সরকারি স্কুলে রোবোটিক শিক্ষক
রঙ্গা রেড্ডি জেলার জনওয়াড়া (Janwada) জেলা পরিষদ হাইস্কুলে (ZPHS) খুব শীঘ্রই তিনজন রোবোটিক শিক্ষক আনা হচ্ছে। এই স্কুলেই প্রায় ৭৫০ জন পড়ুয়া পড়াশোনা করে। এটাই তেলাঙ্গানার প্রথম সরকারি স্কুল হতে চলেছে, যেখানে নিয়মিত রোবট শিক্ষক ক্লাস নেবে। এই বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য ইন্ডাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, হায়দরাবাদ এবং তেলাঙ্গানা সরকারের মধ্যে একটি মউ সাক্ষর হয়েছে। ৮ জুলাই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্কুল শিক্ষা দফতরের ডিরেক্টর ই. নবীন নিকোলাস এবং ইন্ডাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষা ফরিদা ফারাজ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাই নয়, পড়ুয়াদের জন্য শিক্ষাগত সহায়তা, কেরিয়ার গাইডেন্স, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমও চালু করা হবে।
স্কুল টুইনিং প্রোগ্রামে সুযোগ
বিশেষ উদ্যোগের ফলে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়ারা স্কুল টুইনিং এবং সার্ভিস-বেসড লার্নিং প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। ফরিদা ফারাজ বলেন, “গুণগত শিক্ষার জন্য তেলাঙ্গানা সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত।”
নতুন বিল্ডিং ও আধুনিক পরিকাঠামো
ইন্ডাস স্কুলস কমিউনিটি স্কুল প্রোজেক্টের প্রধান স্যামুয়েল জোসেফ জানান, গত আট মাস ধরে জনওয়াডা স্কুলের উন্নয়নের কাজ চলছে। পুরনো বিল্ডিংটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল এবং পর্যাপ্ত শৌচাগারেরও অভাব ছিল। তাই সেখানে নতুন জি+২ বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি বড় বড় শ্রেণিকক্ষ, উন্নত পরিকাঠামো এবং পড়ুয়াদের জন্য আরও ভালো শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে।
স্যামুয়েল জোসেফ জানান, পাঁচ বছর আগে একই ধরনের উন্নয়নমূলক প্রকল্প কোন্ডাকাল সরকারি স্কুলেও বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। সেখানে নতুন ভবন তৈরির পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার, কম্পিউটার ল্যাব এবং লাইব্রেরিও গড়ে তোলা হয়।