‘চূর্ণীদিকে কাজে নেওয়া না হলে সেটা সীমাবদ্ধতা’
আরাত্রিকা দে
অন্য সময় প্রাইম: ‘অর্ধাঙ্গিনী’-র তিন বছর পর আবার ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। আগের ছবির চরিত্রগুলোর ধারাবাহিকতা এই ছবিতেও রয়েছে। দুটো ছবির মধ্যে সেই সংযোগ বজায় রাখতে কতটা চ্যালেঞ্জ ছিল?
চূর্ণী: ‘অর্ধাঙ্গিনী’-র শুভ্রার বয়স বেড়েছে, আর সেটা সময়ের নিয়মেই বেড়েছে। ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সেই গল্পটাই বলে। আলাদা করে খুব বড় কোনও পরিশ্রম করতে হয়েছে, এমনটা নয়। চরিত্রটাও সময়ের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই এগিয়েছে।
জয়া: আমরা যখন কোনও চরিত্র করি, তাকে পুরোপুরি ফেলে দিই না। জয়া হিসেবেও ‘মেঘনা’-র কিছু অংশ আমার ভেতরে থেকে যায়। যেমন একটা বই পড়ে তার চরিত্র বা দর্শন আমাদের মনে থেকে যায়, তেমনই। তাই আবার কাজের সময়ে সেই অনুভূতিগুলোকে জাগিয়ে তুলতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি।