প্রবল বৃষ্টিতেও WFH আর্জি খারিজ, ম্যানেজার বললেন ‘উবারে চলে আসুন’ - 24 Ghanta Bangla News
Home

প্রবল বৃষ্টিতেও WFH আর্জি খারিজ, ম্যানেজার বললেন ‘উবারে চলে আসুন’

Spread the love

টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাস্তা, একাধিক রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত। এমন বৃষ্টিতে ঘর থেকে বের হওয়াই দায়। এই পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকে কাজ (Work From Home) করার অনুমতি চেয়েছিলেন এক কর্মী। কিন্তু তাঁর আবেদন শুনেই খারিজ করে দিলেন ম্যানেজার। উল্টে তাঁর একটাই পরামর্শ—‘বাস বা রিকশা ধরো, না হলে উবার (Uber) বুক করে অফিসে চলে এস!’ সেই হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কর্পোরেট দুনিয়ার এই অমানবিক ও ‘টক্সিক’ কর্মসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন নেটিজেনরা।

ওই কর্মীর এক বন্ধু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম রেডিটে (Reddit) হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট পোস্ট করলে পুনের এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন পরিস্থিতিতে কর্মীর চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিত কি না। মুহূর্তের মধ্যেই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং হাজার হাজার মানুষ বিষয়টি নিয়ে মতামত দিতে শুরু করেন।

ভাইরাল চ্যাটে দেখা যাচ্ছে, প্রবল দুর্যোগ ও রাস্তাঘাট বন্ধ থাকার কারণে ওই কর্মী তাঁর ম্যানেজারকে মেসেজ করে বলেন,‘নমস্কার স্যার। বৃষ্টি এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে আজ আমি অফিসে আসতে পারব না।’ কিন্তু কর্মীর এই অসহায়তার কথা শুনে বিন্দুমাত্র সহানুভূতি দেখাননি তাঁর ম্যানেজার।

উল্টে ম্যানেজার বেশ কড়া ভাষায় উত্তর দেন, ‘পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা উবারে করে অফিসে চলে আসুন। অন্যরাও লোকাল ট্রেন ও অন্যান্য যানবাহনে করেই অফিসে এসেছে।’ ম্যানেজার এখানেই থেমে থাকেননি। কর্মী যখন বোঝানোর চেষ্টা করেন যে এই অবস্থায় যাতায়াত করা নিরাপদ নয়, তখন ম্যানেজার আরও যোগ করেন,‘রিকশা বা উবার নাও, কিন্তু যে ভাবেই হোক অফিসে চলে এস।’

ম্যানেজারের এই জবাব দেওয়ার ধরন দেখে নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভ উগরে দেন। অনেকের মতে, কর্মীদের নিরাপত্তার চেয়ে অফিসে উপস্থিতিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত অমানবিক। কেউ লিখেছেন, ‘এমন কোম্পানির নাম প্রকাশ করা উচিত।’ আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে কর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়াই একজন ম্যানেজারের দায়িত্ব।’ অনেকেই ওই কর্মীকে নতুন চাকরি খোঁজার পরামর্শও দিয়েছেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *