Hema Malini on Dharmendra: ববি-সানিদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয় হেমার? ধর্মেন্দ্রর শেষ ইচ্ছা নিয়ে অকপট হেমা | Hema malini reveals dharmendras last wish and opens up on bond with sunny bobby deol
গত বছরের নভেম্বরে ধর্মেন্দ্র (Dharmendra) চলে গিয়েছেন । কিন্তু তাঁর স্মৃতি আর শিক্ষা আজও দেওল পরিবারকে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছে। বলিপাড়ার অন্দরে কান পাতলে প্রায়ই শোনা যায়, ধর্মেন্দ্রর প্রথম পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে হেমা মালিনীর (Hema Malini) দূরত্ব বিস্তর। তবে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে এবার এক সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক খোলসা করলেন স্বয়ং ‘ড্রিম গার্ল’। প্রয়াত অভিনেতার শেষ ইচ্ছে ঠিক কী ছিল এবং ববি-সানিদের সঙ্গে তাঁর ঠিক কেমন সম্পর্ক, তা নিয়ে প্রথমবার মন খুলে কথা বললেন হেমা।
অভিনেত্রী জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় চাইতেন তাঁর গোটা পরিবার যেন সব পরিস্থিতিতে এক হয়ে থাকে। একটি সাক্ষাৎকারে হেমা বলেন, “ধরম জি সবসময় বলতেন, যতটা পারো সন্তানদের সময় দাও। পরিবারের সঙ্গে থাকো। বর্তমান সময়ে সবাই যে যাঁর মতো আলাদা হয়ে যায়, কিন্তু ওঁর শেষ বার্তাই ছিল সবাই যেন একসঙ্গে মিলেমিশে থাকে।” কাজ চলতেই থাকবে, কিন্তু দিনশেষে পরিবারই যে আসল, এই নীতিতেই আজীবন বিশ্বাসী ছিলেন পর্দার ‘বীরু’।
সোশাল মিডিয়া বা ক্যামেরার সামনে তাঁদের একসঙ্গে খুব একটা দেখা যায় না। আর এই সুযোগেই নেটপাড়ায় রটে যায় নানা গুঞ্জন। এই প্রসঙ্গে হেমা স্পষ্ট জানান, ক্যামেরার আড়ালে তাঁদের রসায়ন অত্যন্ত মধুর। তিনি বলেন, “সানি আর ববি দুজনেই ভীষণ মিষ্টি। আমরা সবসময় একসঙ্গে রয়েছি। আমরা এসব নিয়ে কোনও পাবলিসিটি করি না ঠিকই, কিন্তু ভেতর থেকে আমাদের পরিবার ভীষণ সুখী আর একতাবদ্ধ।”
২০২৫ সালের নভেম্বরে ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত হন ধর্মেন্দ্র। মুম্বইয়ে দেওল পরিবারের মূল স্মরণসভায় হেমা ও তাঁর কন্যারা উপস্থিত না থাকায় নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। তবে হেমা জানান, তাঁরা আলাদা করে নিজেদের বাড়িতে সেই দিনই একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছিলেন। পরে দিল্লিতেও অভিনেতার স্মরণে বড় অনুষ্ঠান হয়। এই সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে ধর্মেন্দ্রর রেখে যাওয়া পারিবারিক মূল্যবোধই এখন দেওল পরিবারের মূল চালিকাশক্তি।