গলায় তুলসীমালা-তিলকে অকথ্য অপমান স্কুলে! বাড়ি ফিরে আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্রীর - 24 Ghanta Bangla News
Home

গলায় তুলসীমালা-তিলকে অকথ্য অপমান স্কুলে! বাড়ি ফিরে আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্রীর

Spread the love

পুরুলিয়া: পুরুলিয়া জেলার পাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটে গিয়েছে এক বিতর্কিত ঘটনা (Purulia)। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা এক ছাত্রীকে তার ধর্মীয় প্রতীক তুলসীমালা ও তিলক পরার…

পুরুলিয়া: পুরুলিয়া জেলার পাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটে গিয়েছে এক বিতর্কিত ঘটনা (Purulia)। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা এক ছাত্রীকে তার ধর্মীয় প্রতীক তুলসীমালা ও তিলক পরার জন্য অপমান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, ছাত্রীকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।

ঘটনায় ছাত্রীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। প্রধান শিক্ষিকা অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।ঘটনাটি জেলাজুড়ে তীব্র আলোড়ন তুলেছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ছাত্রীর পরিবার জানিয়েছে, মেয়েটি প্রতিদিনের মতোই বিদ্যালয়ে গিয়েছিল।

আরও দেখুনঃ বারুইপুর এনকাউন্টার: রনির রিভলভার ছিনিয়েছিল প্রভাস, গুলি চালালেন অর্ঘ্য

তুলসীমালা ও তিলক পরে যাওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা তাকে ডেকে নিয়ে কড়া ভাষায় বকাবকি করেন। তিনি নাকি বলেছেন, “এসব ধর্মীয় জিনিস পরে বিদ্যালয়ে আসা চলবে না।” ছাত্রী প্রতিবাদ করলে তাকে টিসি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। মেয়েটি এতটাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে যে, বাড়ি ফিরে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের সদস্যরা সময়মতো বুঝতে পেরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

খবর পাওয়া গিয়েছে বর্তমানে ছাত্রী সুস্থ আছে, কিন্তু মানসিক আঘাত এখনও কাটেনি।ছাত্রীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগে বলেছেন, “আমার মেয়ে ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে তুলসীমালা ও তিলক পরে। এটা তার ব্যক্তিগত অধিকার। প্রধান শিক্ষিকা তাকে অপমান করে মানসিকভাবে আঘাত করেছেন। এর ফলে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই।”

আরও দেখুনঃ আস্থা অটুট, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা’, অভিযুক্তের এনকাউন্টারে স্বস্তি নির্যাতিতার পরিবারে

পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় বিডিও ও শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন।প্রধান শিক্ষিকা অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, “কোনো ছাত্রীকে অপমান করা হয়নি। বিদ্যালয়ের নিয়মকানুন মেনে চলার কথা বলেছি মাত্র। টিসি দেওয়ার হুমকির কোনো প্রশ্নই ওঠে না।” তবে ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা এই বক্তব্যকে সত্য বলে মানতে নারাজ। স্থানীয় অভিভাবকরা বলছেন, “বিদ্যালয়ে ধর্মীয় সহনশীলতা থাকা উচিত। একজন শিক্ষকের উচিত ছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা।”

আরও দেখুনঃ ‘নিজের পাপের সাজা পেয়েছে’, ছেলের মৃতদেহ নিতে অস্বীকার বারুইপুরে অভিযুক্তের মা

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *