Basirhat: খাবারের কথা শুনে কিছু দূর চলেও গিয়েছিল নাবালিকা, তারপর… ভ্যাবলা স্টেশনে চাঞ্চল্য | Girl was going with a man in Sealdah section station at Basirhat
বারুইপুর: ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত বারুইপুর। রবিবার গণপিটুনিতে এক অভিযুক্তের মৃত্যুও হয়। মৃতদেহ আটকে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। আর এবার বসিরহাটেও এক যুবকের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই শুরু হয় জনতার মার। আটকে রাখা হয় অভিযুক্তকে। পরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখার ভ্যাবলা স্টেশনের ঘটনা।
জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার মাটিয়া থানার কাঁকড়া মির্জানগর এলাকায় বাড়ি ওই নাবালিকার। সে তার মায়ের সঙ্গে মামার বাড়িতে গিয়েছিল। মামার বাড়ি থেকে ফেরার সময় ওই নাবালিকাকে স্টেশনে বসিয়ে রেখে তার মা কোনও বিশেষ দরকারে স্টেশনের বাইরে কিছু সময়ের জন্য বেরিয়েছিলেন।
অভিযোগ, সেইসময় বিশ্বনাথ ঘোষ নামে এক যুবক গিয়ে ওই নাবালিকার পাশে বসে এবং বিভিন্ন কথা বলতে থাকে। তারপর ওই নাবালিকাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। নাবালিকাও বুঝতে না পেরে ওই যুবকের সঙ্গে চলেও যায়।
কিছু দূর যাওয়ার পরে নাবালিকার সন্দেহ হওয়ায় চীৎকার করে ওঠে সে। অভিযোগ, তখন বিশ্বনাথ নামে ওই যুবক জোর করে ওই নাবালিকার হাত ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর স্টেশনে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীরা সকলেই ওই বিশ্বনাথকে তাড়া করে এবং বেশ কিছু দূর গিয়ে বিশ্বনাথকে ধরেও ফেলে।
এরপরই বিশ্বনাথকে মারধর শুরু করে উত্তেজিত জনতা। উপস্থিত ক্ষুব্ধ জনতার দাবি, নতুন করে বারুইপুরের মতো ঘটনা ঘটতে চলেছিল বসিরহাটে। মারধর করে বিশ্বনাথকে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় বসিরহাট থানার পুলিশ। বিশ্বনাথকে ক্ষুব্ধ উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে বসিরহাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর মঙ্গলবার রাতে জিআরপি (GRP) থেকে আধিকারিকরা গিয়ে বসিরহাট থানায় অভিযুক্ত বিশ্বনাথকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।