Annapurna Bhandar verification: ‘এখন পাবলিক খুব উত্তেজিত’, অন্নপূর্ণার ভান্ডারের ভেরিফিকেশন করতে চাইছেন না কর্মীরা | Anganwari workers do not want to do verification of the Annapurna Bhandar
বালুরঘাট: অন্নপূর্ণা ভান্ডারের দ্বিতীয় দফার টাকা ঢুকে গিয়েছে। এক কোটিরও বেশি উপভোক্তা ইতিমধ্যেই তিন হাজার টাকা করে পেয়েছেন। তবে অনেক মহিলা রয়েছেন যাঁদের আবেদন ‘রিজেক্টেড’ দেখাচ্ছে। এই আবহের মধ্য়ে আবার বিপত্তি। অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ভেরিফিকেশনের কাজ করবেন না বলে এবার বিক্ষোভ দেখালেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। এখন তাঁরা যদি এই কাজ বন্ধ করে দেন তাহলে কী হবে উপভোক্তাদের?
কেন ভেরিফিকেশনের কাজ করবেন না অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা?
সোমবার দুপুরে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। তাঁদের একটাই বক্তব্য, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হলে তবেই তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার তথ্য যাচাইয়ের কাজ করবেন। সোমবার এদিন বিকেলে বালুরঘাট বিডিওকে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, অন্নপূর্ণা যোজনার যোগ্য ও অযোগ্যদের চিহ্নিত করতে হবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। এমনকী, নথি ভেরিফিকেশন করতে হবে তাঁদের। সরকারি এমন নির্দেশিকার পরই সোমবার জেলার প্রতিটি ব্লকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
এ দিন, বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সেখানেই এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। রাজ্যের অন্যপ্রান্তে যেভাবে অন্নপূর্ণা যোজনা কাজ করতে গিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সরকারি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই জায়গা থেকে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বালুরঘাটের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সবথেকে বেশি এলাকার লোক চেনেন। সে ক্ষেত্রে আবেদনকারী মহিলার নাম কোনও কারণে বাতিল হলে, পরে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর উপর আক্রমণ করা হতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
যদিও পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জেলাশাসক বালা সুব্রমানিয়ান টি। পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সঙ্গে ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকরা সব রকম যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানানো হয়েছে।
এক কর্মী লতা বিশ্বাস বলেন, “আমাদের ট্রেনিং ছিল। এখনও যাঁরা পায়নি তাঁদের ভেরিফিকেশন করতে হবে। এখন যাঁরা এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হবেন তাঁরা তো অযোগ্য বলে চিহ্নিত হবেন। কেন এই কাজগুলো আমাদের উপর চাপাচ্ছে। গাইঘাটায় আমাদের কর্মীদের উপর কীভাবে মারধর হয়েছে। এখন পাবলিক উত্তেজিত আছে। এই সবের মধ্যে আমাদের কেন ঢোকানো হল? আমাদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক কাজ তুলে দেব।”