Telegram: ১৫দিনের ডেডলাইন, টেলিগ্রামকে ফের নোটিস ধরাল কেন্দ্র, আর চলবে না মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম? | Centre Issues 15 Day Notice to Telegram Over Pirated Movies and OTT Content
নয়া দিল্লি: ইউজ়ারনেম (Username) নিয়ে আগেই টেলিগ্রামকে (Telegram) নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার ১৫ দিনের ডেডলাইন দেওয়া হল এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মকে। সম্প্রতি, টেলিগ্রামকে আরও একটি নোটিস ধরিয়েছে কেন্দ্র (Centre Notice to Telegram)। তবে, এবার ইউজ়ারনেম নিয়ে নয়। পাইরেসি রুখতে টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক।
নোটিসে কী লেখা হয়েছে?
টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে পাইরেটেড সিনেমা ও ওয়েব সিরিজের কন্টেন্টের প্রচারের অভিযোগ বহুদিনের। এবার তা রুখতেই সংস্থাকে একটি নোটিস দেওয়া হয়েছে। নোটিসে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পাইরেটেড সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ বেআইনিভাবে যে চ্যানেলগুলি ছড়িয়ে দিচ্ছে, সেইসব কপিরাইট লঙ্ঘনকারী চ্যানেলের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, ১৫ দিনের মধ্যে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দিতেও বলা হয়েছে।
কেন পাঠানো হল নোটিস?
কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য দেশের চলচ্চিত্র শিল্প, সম্প্রচার সংস্থা, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, প্রযোজকদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং অনলাইন পাইরেসি রোধ করা। জানা গিয়েছে, সরকারের কাছে একাধিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও কনটেন্ট মালিক অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তাঁদের কপিরাইট-সুরক্ষিত সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ অনুমতি ছাড়াই টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ খতিয়ে দেখে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ৩ হাজার ১৪২টি টেলিগ্রাম চ্যানেল চিহ্নিত করেছে। ওই চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে পাইরেটেড সিনেমা, ওয়েব সিরিজ এবং অন্যান্য কপিরাইট-সুরক্ষিত কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
কোন আইনে নির্দেশ?
তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০ (Information Technology Act, 2000)-এর আওতায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে। টেলিগ্রামকে কপিরাইট লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট দ্রুত সরিয়ে ফেলতে এবং আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে আরও কঠোর হতে বলা হয়েছে। এছাড়া বৈধ সরকারি নোটিস বা আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলিকে বেআইনি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, দুইদিন আগেই ইউজ়ারনেম বিতর্কে টেলিগ্রামকে নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। ইউজারনেম ফিচার কীভাবে কাজ করে এবং ভুয়ো পরিচয় বা পরিচয় জালিয়াতি রোধে কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছিল এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মকে। শুধু টেলিগ্রাম নয়, সিগন্যাল ও হোয়াটঅ্যাপকেও একই বিষয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে।