NeVAর আওতায় ৩৩ তম কাগজহীন বিধানসভা হিসেবে যোগ দিতে চলেছে বঙ্গের বিধানসভা - 24 Ghanta Bangla News
Home

NeVAর আওতায় ৩৩ তম কাগজহীন বিধানসভা হিসেবে যোগ দিতে চলেছে বঙ্গের বিধানসভা

Spread the love

কলকাতা: বঙ্গ বিধানসভা এবার ডিজিটাল যুগে পা রাখতে চলেছে। (assembly)রাজ্য সরকার জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বিধানসভা সম্পূর্ণ কাগজবিহীন হয়ে যাবে। জাতীয় ই-বিধান…

কলকাতা: বঙ্গ বিধানসভা এবার ডিজিটাল যুগে পা রাখতে চলেছে। (assembly)রাজ্য সরকার জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বিধানসভা সম্পূর্ণ কাগজবিহীন হয়ে যাবে। জাতীয় ই-বিধান অ্যাপ্লিকেশন (NeVA)-এর আওতায় ভারতের ৩৩তম আইনসভা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ এই ব্যবস্থায় যোগ দিতে চলেছে।

এর ফলে বিধায়কদের হাতে আসবে সুরক্ষিত ট্যাবলেট, আর বিল, নোটিশ, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং কমিটি রিপোর্ট সবই পাওয়া যাবে ক্লাউড-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে।প্রথাগত কাগজের স্লিপ ও ভোটিং ব্যবস্থার বদলে আসছে ইলেকট্রনিক ভোটিং সিস্টেম। এতে বিধানসভার কাজকর্ম আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্পিকারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিধায়করা যেকোনো জায়গা থেকে তথ্যপ্রাপ্তি ও অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

আরও দেখুনঃ

অনেক বিধায়কই এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের বিধায়করা মনে করছেন, এতে তাঁদের কাজ আরও সহজ ও আধুনিক হবে।ভারতব্যাপী এই ডিজিটাল বিপ্লব ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতোমধ্যে পুরোপুরি কাগজবিহীন হয়ে গেছে। ২০১৪ সালে হিমাচল প্রদেশ প্রথম কাগজবিহীন বিধানসভা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

আরও দেখুনঃ

তাদের নিজস্ব ই-বিধান প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫ কোটি টাকা মুদ্রণ ও কাগজের খরচ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। ২০২২ সালে নাগাল্যান্ড প্রথম রাজ্য হিসেবে জাতীয় NeVA প্ল্যাটফর্ম চালু করে “এক দেশ, এক অ্যাপ্লিকেশন” কর্মসূচির অধীনে।পশ্চিমবঙ্গ এই ক্ষেত্রে অগ্রণী নয়, বরং জাতীয় ধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। তবে এই পদক্ষেপ রাজ্যের প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কম খরচ, কম কাগজের অপচয় এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই তিনটি লাভের কথা সবচেয়ে বেশি উঠে আসছে। পরিবেশের দিক থেকেও এটি একটি বড় পদক্ষেপ। প্রতি বছর বিধানসভায় যে পরিমাণ কাগজ ব্যবহার হয়, তা বন্ধ হলে অনেক গাছ বাঁচবে।তবে চ্যালেঞ্জও আছে। অনেক প্রবীণ বিধায়ক ডিজিটাল প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত নন। তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ইন্টারনেট সংযোগ, সাইবার নিরাপত্তা এবং ট্যাবলেটের সুরক্ষা নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে। সরকার ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিকল্পনা শুরু করেছে।

আরও দেখুনঃ

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *