Designated Terrorists: আর কোনও রেয়াত নয়, এদের UAPA-তে জঙ্গি বলে ঘোষণা করল কেন্দ্র | Centre Announces 23 Lashkar e Taiba, Jaish e Muhammad Linked Persons As Terrorist under UAPA Act
নয়া দিল্লি: সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কঠোর অবস্থান ভারতের। কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদ বা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে রেয়াত করা হবে না। এবার কেন্দ্রীয় সরকার ২৩জন ব্যক্তিকে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (UAPA), ১৯৬৭-র অধীনে জঙ্গি (Terrorist) বলে ঘোষণা করা হল।
ইউএপিএ অ্যাক্টের ৩৫ নম্বর ধারার অধীনে এদের জঙ্গি বলে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে জানানো হয়েছে যে যাদের জঙ্গি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে, তারা জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তৈবার মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। এরা জঙ্গি নিয়োগ, তাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ ও সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে যুক্ত।
কাদের জঙ্গি হিসাবে ঘোষণা করা হল?
মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরী- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরী ২০২২ সালের সুঞ্জওয়ান সেনা ক্য়াম্পে হামলায় জড়িত ছিলেন। জইশ-ই-মহম্মদ হ্যান্ডলার হিসাবে এনআইএ-র চার্জশিটে তাঁর নাম উল্লেখ ছিল। প্রধানমন্ত্রীর জম্মু সফরই নিশানা ছিল এদের।
মহম্মদ মুসাদিক- মুসাদিকও সুঞ্জওয়ান হামলায় জড়িত ছিলেন। আন্তঃসীমান্ত সুড়ঙ্গ দিয়ে অনুপ্রবেশ এব পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদী হামলা পরিচালনার মাথা ছিল মহম্মদ মুসাদিক।
মুফতি মহম্মদ আসগর খান- এনআইএ-র তদন্ত অনুযায়ী, মুফতি কাশ্মীরী অপারেটিভদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত। এরাই ২০১৬ সালের নাগরোটা সেনা ক্য়াম্পে হামলার নেপথ্যে ছিল। জইশ-ই-মহম্মদের লঞ্চিং কম্যান্ডার মুফতি।
হাফিজ আব্দুল শাকুর- এনআইএ শাকুরকে জইশ-ই-মহম্মদের কম্যান্ডার হিসাবে ঘোষণা করেছেন। ২০১৬ সালের নাগরোটা হামলার সময় অনুপ্রবেশে মদত দিয়েছিল শাকুর।
আবদুল্লা জেহাদি- এই জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিও ২০১৬ সালের নাগরোটা হামলায় যুক্ত ছিল। একাধিক জইশ ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালন করত এই জঙ্গি।
ফিরদৌস আহমেদ ভাট- লস্কর-ই-তৈবার কম্যান্ডার। ভারতে অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র-শস্ত্র সরবরাহে যুক্ত ছিল।
বিলাল আহমেদ মীর– বিলাল লস্কর-ই-তৈবা ও রেজিস্টান্স ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ও অস্ত্র-শস্ত্র সরবরাহে যুক্ত ছিল।