Telegram: WhatsApp-এর পর টেলিগ্রামকেও নোটিস ধরাল কেন্দ্র, আবারও বন্ধ হবে মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম? | After WhatsApp, Centre Sent Notice to Telegram and Signal Over Username Feature
নয়া দিল্লি: হোয়াটস্যাপের (Whatsapp) পর এবার টেলিগ্রাম (Telegram) ও সিগন্যালকেও (Signal) নোটিস পাঠাল কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি, হোয়াটসঅ্যাপের ইউজ়ারনেম (Username feature) ফিচার নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার একদিনের মধ্যেই আরও দু’টি মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের কাছে ইউজ়ারনেম ফিচার নিয়ে জবাব চাইল কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে ওই দুই সংস্থাকে চিঠি দিয়ে ইউজারনেম ফিচার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সেই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে জবাব চেয়েছে কেন্দ্র।
কী জবাব চেয়েছে সরকার?
জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক দুই সংস্থার কাছেই জানতে চেয়েছে, ইউজ়ারনেম ফিচারে প্রতারণা বা জালিয়াতি ঠেকাতে তারা কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সূত্রের দাবি, কেন্দ্র টেলিগ্রামকে এও ব্যাখ্যা করতে বলেছে যে, কেন তাদের প্ল্যাটফর্মে ইউজ়ারনেম ফিচার চালু রাখার প্রয়োজন রয়েছে। এই ধরনের ফিচারে গ্রাহকের তথ্য কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সরকার। প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি সিগন্যাল ও টেলিগ্রাম।
হোয়াটসঅ্যাপকে আগেই সতর্ক করেছিল কেন্দ্র
ইউজ়ারনেম নিয়ে বুধবার হোয়াটসঅ্যাপকে নোটিস দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইউজ়ারনেম ফিচার চালু হলে অনলাইন প্রতারণা, ফিশিং, ডিজিটাল অ্যারেস্ট, এবং পরিচয় জালিয়াতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে,বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা সন্তোষজনক না হওয়া পর্যন্ত নতুন ফিচার চালু করা যাবে না।
কী জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ?
মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের দাবি, ইউজ়ারনেম ফিচারে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে প্রতারণা, ভুয়ো পরিচয় এবং অবাঞ্ছিত যোগাযোগের ঝুঁকি কমানো যায়। সংস্থাটি পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিস্তারিত FAQ প্রকাশ করে, যেখানে ফিচারটির কাজের পদ্ধতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
টেলিগ্রামে কড়া নজরদারি
গত কয়েক মাসে টেলিগ্রামকে ঘিরে সরকারের নজরদারি আরও বেড়েছে। এর আগে নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, ভুয়ো প্রশ্নপত্র ছড়ানো এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে টেলিগ্রাম ও তার সংশ্লিষ্ট ওয়েব পরিষেবা এক সপ্তাহের জন্য ভারতে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ২২ জুন সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরিষেবা পুনরায় চালু হয়।