130th Amendment Bill: এক মাস জেলে থাকলেই হারাবে মন্ত্রীর পদ, চলতি বাদল অধিবেশনেই পাশ হতে পারে বিল | Constitution 130th Amendment Bill, JPC Report Likely on July 17 Ahead of Monsoon Session - 24 Ghanta Bangla News
Home

130th Amendment Bill: এক মাস জেলে থাকলেই হারাবে মন্ত্রীর পদ, চলতি বাদল অধিবেশনেই পাশ হতে পারে বিল | Constitution 130th Amendment Bill, JPC Report Likely on July 17 Ahead of Monsoon Session

Spread the love

নয়া দিল্লি: গুরুতর অপরাধে এক মাস জেলে থাকলেই হারাতে হবে মন্ত্রীর পদ। রেহাই পাবেন না দেশের প্রধানমন্ত্রী বা কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেউই। গত বছরই এই সংক্রান্ত সংবিধানের ১৩০তম সংশোধনী বিল (Constitution 130th Amendment Bill) সংসদে পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এবার সেই বিল বাদল অধিবেশনে পাস হতে পারে বলে খবর। জানা গিয়েছে, ১৭ জুলাই এই বিলের রিপোর্ট গ্রহণ করতে চলেছে যৌথ সংসদীয় কমিটি।

বাদল অধিবেশনের আগেই কমিটির রিপোর্ট

সূত্রের খবর, রিপোর্টে বিতর্কিত সেই ধারাটি বহাল থাকতে পারে, যেখানে বলা হয়েছে, পাঁত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে এমন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া যেতে পারে। তবে আইন যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার না হয়, সে বিষয়ে সতর্কতামূলক সুপারিশও রিপোর্টে থাকতে পারে। ২০ জুলাই শুরু হচ্ছে বাদল অধিবেশন। সেই অধিবেশনেই বিলটি আলোচনা ও পাসের জন্য তোলা হতে পারে বলে খবর।

কী কারণে এই বিল?

দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের তৎকালীন মন্ত্রী ভি সেন্থিল বালাজি গ্রেফতার হওয়ার পরও মন্ত্রী হিসেবে কাজ চালিয়ে যান। এর পরই গত বছর বাদল অধিবেশনে এই সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে আসে সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই বিলটি লোকসভায় পেশ করেন। সেইসময় বিরোধীদের এককাট্টা বিক্ষোভে তখন যৌথ সংসদীয় কমিটিতে বিবেচনার জন্য এই বিল পাঠাতে হয়। বিলটি খতিয়ে দেখার জন্য বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গীর নেতৃত্বে ৩১ সদস্যের একটি যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। যদিও, যৌথ সংসদীয় কমিটিতে যোগ দেয়নি তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস ও ডিএমকে।

উল্লেখ্য, তৃণমূল থেকে বেরিয়ে ২০ জন সাংসদ ইতিমধ্যেই এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। বলা ভালো, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে সামিল হয়েছেন তাঁরা। এদিকে, ইন্ডি জোট থেকে ডিএমকে-র দূরত্ব তৈরি হয়েছে। যা সংসদীয় রাজনীতিতে সুবিধা করে দিয়েছে বিজেপিরই। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। সেক্ষেত্রে লোকসভায় এই বিল পাস করাতে প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন সরকার জোগাড় করতে পারে কিনা সেদিকেই নজর থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *