আরও চাপে দেবরাজ, ইডির তদন্ত তালিকায় উঠল নাম - 24 Ghanta Bangla News
Home

আরও চাপে দেবরাজ, ইডির তদন্ত তালিকায় উঠল নাম

Spread the love

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর স্ক্যানারে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty) । শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন তিনি। এবার…

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর স্ক্যানারে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty) । শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন তিনি। এবার সেই তদন্তের ধারাই আরও বিস্তৃত হয়ে ইডির পর্যবেক্ষণে এসেছে তাঁর নাম। সূত্রের খবর, দেবরাজের বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ সংক্রান্ত নথি ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করতে শুরু করেছে ইডি। তাঁর আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তির পরিমাণ এবং আয়ের উৎস নিয়ে বিস্তারিত খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থার প্রাথমিক অনুমান,(Debraj Chakraborty) বিধাননগরের এই রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে বহু টাকার সম্পত্তির অভিযোগ রয়েছে। সেই সম্পত্তির প্রকৃত উৎস কী, কীভাবে এত বিপুল সম্পদ অর্জিত হয়েছে, এবং এর সঙ্গে কোনও বেআইনি অর্থনৈতিক লেনদেনের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখাই এখন ইডির প্রধান লক্ষ্য। বিভিন্ন দফতর থেকে ইতিমধ্যেই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্তরে জমা পড়েছে। সেই সমস্ত অভিযোগ একত্রিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রোফাইল তৈরি করার কাজ চলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে সিবিআইয়ের তদন্তের আওতায় ছিলেন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়। সেই মামলায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল আগেই। তবে এবার ইডির প্রবেশের ফলে বিষয়টি আরও জটিল আকার নিয়েছে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক মহলের একাংশ।

অন্যদিকে, শুধু দেবরাজই (Debraj Chakraborty) নন, তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সির নামও একাধিক অভিযোগে জড়িয়েছে। অদিতি মুন্সি রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক। তবে তাঁদের ছোট সন্তান থাকার কারণে আদালত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত তিনি তদন্ত প্রক্রিয়ার বাইরে রয়েছেন।

অন্যদিকে, দেবরাজ চক্রবর্তীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। তিনি কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন, তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এর পরেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে সূত্রের দাবি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল, ফলে তাঁর অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *