বর্ণবিদ্বেষ, গেরিলা দলে যোগ দেওয়ার চাপ পেরিয়ে জাতীয় নায়ক, কিনিওনেসের অবিশ্বাস্য উত্থান
ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে তাঁর গোলটি ছিল গতি, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের অপূর্ব মেলবন্ধন। ডিফেন্ডারদের পিছনে ফেলে বক্সে ঢুকে দুরন্ত শটে জাল কাঁপানোর পর মেক্সিকোর ব্যাজে চুমু খেয়ে নিজের আবেগ উজাড় করে দেন তিনি। যেন এক গোলেই জবাব দিয়ে দেন অতীতের সব প্রশ্নের। একবার কিনিওনেস বলেছিলেন, ‘নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার চেয়ে বড় কিছু নেই। সেই সুযোগ পাওয়ার জন্য আমি সব সময় সর্বস্ব উজাড় করে দিই।’
তবে তাঁর অবদান শুধু গোলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় গোলের পথও তৈরি করেন তিনি। নিখুঁত পাসে রাউল জিমেনেজ়কে গোলের সুযোগ করে দেন। গোল, অ্যাসিস্ট, লড়াই করার মানসিকতা এবং অফুরন্ত শক্তি— সব মিলিয়ে কিনিওনেস এখন শুধু মেক্সিকোর আক্রমণের অস্ত্র নন, দলের বিশ্বকাপের স্বপ্নপূরণে মেক্সিকোর বড় সম্পদ হয়ে উঠেছে।
সৌদি লিগ থেকে বিশ্বকাপের আলোয়
গত মরশুমে সৌদি আরবের আল কাদসিয়ায় (Al Qadsiah) দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন হুলিয়ান কিনিওনেস। ৩৩ গোল করে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন তিনি, পিছনে ফেলেছিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনাল্দো (Cristiano Ronaldo) এবং আইভান টোনির (Ivan Toney) মতো তারকাদেরও। তবে সাফল্য তাঁর স্বভাব বদলাতে পারেনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘রোনাল্দোর সঙ্গে তুলনা করার মতো আমি কেউ নই। আগে বলুন, আমার কত জন সমর্থক আছে?’