Toto-Auto New Rule: বড় চাপে লুঙ্গি! অটো-টোটোয় বসলে কী বলছেন মহিলা যাত্রীরা? | Police are cracking down on auto and e rickshaw drivers wearing lungis
বিতর্কে লুঙ্গি-হাফপ্যান্টImage Credit: TV 9 Bangla
দত্তপুকুর: লুঙ্গি বা হাফপ্যান্ট পরে কোনওভাবেই চালানো যাবে না টোটো, অটো। দেখতে পেলেই ধরছে পুলিশ। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে দত্তপুকুরের একাধিক জায়গায় হাফপ্যান্ট বা লুঙ্গি পরে কোনও টোটো-অটো চালককে দেখতে পেলেই থামাচ্ছে পুলিশ। কেন এই ধরনের পোশাক পরেছেন সেই প্রশ্ন করছেন দত্তপুকুর ট্র্যাফিক গার্ডের পুলিশ কর্মীরা। পুলিশের দাবি, এই ধরনের পোশাক পরলে গাড়িতে মহিলা যাত্রীদের উঠতে অস্বস্তি হচ্ছে। তাঁদের কাছে অভিযোগও আসছে। ফলে শালীনতা বজায় রাখতেই তাঁরা চালকদের এই ধরনের পোশাক পরা থেকে বিরত থাকতে বলছেন।
পুলিশের এই পদক্ষেপ নিয়ে নাগরিক মহলে স্বভাবতই চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত উঠে এলেও সিংহভাগ মানুষই সাধুবাদ জানাচ্ছেন। সাধুবাদ জানাচ্ছেন পুরুষরা। খুশি মহিলা যাত্রীরাও। অনেকেই বলছেন, এতে মহিলা যাত্রীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে আরও অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্য আসবে। যদিও এদিনও যশোর রোডের উপরে একাধিক টোটো অটোতে দেখা গেল চালকরা আগের মতো লুঙ্গি পরে টোটো, অটো চালাচ্ছেন। যদিও সংবাদমাধ্যম দেখে তাঁরা বলছেন, আর পরবেন না। এবার মাথায় রাখবেন। এক টোটো চালক বললেন, “আমি তো জানি না। কাল থেকে ফুলপ্যান্ট পরেই বের হব।” আর এক টোটো চালক বললেন, বৃষ্টির জন্য আজ পরেছি। পুলিশ যখন বলেছে এবার বন্ধ করে দেব।
এলাকার বাসিন্দা সুজিত চন্দ্র দাস পুলিশের পদক্ষেপে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। তিনি বলছেন, “লুঙ্গি-হাফপ্য়ান্ট না পরে গাড়ি চালানোই তো ভালো। অনেক সময় লুঙ্গি গাড়িতে জড়িয়ে যায়। তাতে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আর হাফপ্যান্ট পরলে তো মেয়েদের সামনে খারাপ লাগে। তাই ফুলপ্যান্ট পরাটাই ভালো।”
খানিক একই সুর এলাকার মহিলাদের মুখে। রেখা দাস নামে এলাকার এক বাসিন্দা বললেন, “লুঙ্গি-হাফপ্যান্ট পরে গাড়ি চালালে একটু অস্বস্তি তো লাগেই। ফুলপ্যান্ট পরেই চালোন উচিত। এটা দরকার ছিল।” সুদেষ্ণা দাস নামে আর এক মহিলা বললেন, “দেখতো তো অশোভন লাগে। পছন্দ তো করি না। বাধ্য হয়েই টোটোয় উঠতে হয়।”