২৬ বছর পর ফের ২৯ জুনের ট্র্যাজেডি, ক্লুইভার্ট পরিবারের অবিশ্বাস্য কাকতালীয় ঘটনা - 24 Ghanta Bangla News
Home

২৬ বছর পর ফের ২৯ জুনের ট্র্যাজেডি, ক্লুইভার্ট পরিবারের অবিশ্বাস্য কাকতালীয় ঘটনা

Spread the love

প্যাট্রিক ক্লুইভার্টের পর ২৬ বছর পরে একই তারিখে পেনাল্টি মিস করলেন ছেলে জাস্টিন ক্লুইভার্ট। ফুটবল ইতিহাসে বিরল এক কাকতালীয় ঘটনা ঘিরে চর্চা তুঙ্গে।

শিবশঙ্কর আদক, কলকাতা ডেস্ক: “বাপ কা বেটা, সিপাহি কা ঘোড়া…” প্রবাদটা যে এমন মর্মান্তিক অভিশাপ হয়ে প্রাক্তন ডাচ ফুটবলার প্যাট্রিক ক্লুইভার্টের (Justin Kluivert ) পরিবারে নেমে আসবে, তা কে জানত! সালটা আলাদা, টুর্নামেন্ট আলাদা, মঞ্চটাও আলাদা, কিন্তু ক্যালেন্ডারের পাতা আর ভাগ্যের সেই নিষ্ঠুর পরিহাসটা অদ্ভুতভাবে মিলে গেল।

সময়টাকে একটু পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া যাক। ২৯ জুন, ২০০০ সাল। ইউরো কাপের রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনাল।ইতালি বনাম নেদারল্যান্ডস। আমস্টারডাম এরিনায় ইতালির জমাট রক্ষণের সামনে কমলা ঝড়ের অন্যতম প্রধান সেনাপতি প্যাট্রিক ক্লুইভার্ট। পেনাল্টি থেকে গোল করে নায়ক হওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু তাঁর নেওয়া শট পোস্টে আছড়ে পড়তেই গোটা নেদারল্যান্ডসের স্বপ্নভঙ্গ হয়। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েও সেদিন চোখের জলে মাঠ ছেড়েছিলেন প্যাট্রিক।

কে জানত, ঠিক ২৬ বছর পর ইতিহাসের সেই একই অভিশপ্ত তারিখ ফিরে আসবে তাঁরই রক্তের উত্তরাধিকারের হাত ধরে! ২৯ জুন, ২০২৬। বিশ্বকাপের নক আউট পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নেদারল্যান্ড ও মরক্কো। টাইব্রেকারে পেনাল্টি কিক মারতে এসেছিলন প্যাট্রিকের ছেলে জাস্টিন ক্লুইভার্ট। আর অবিশ্বাস্যভাবে, ভাগ্যের সেই একই নির্মম পুনরাবৃত্তি! তাঁর নেওয়া শট একইভাবে পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়। স্নায়ুর চাপে হোক বা নিয়তির ফেরে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন জাস্টিন। গোটা বিশ্বের ডাচ সমর্থকদের চোখের সামনে যেন আবার ফিরে আসে ২৬ বছর আগের সেই কালো রাতের দুঃখজনক স্মৃতি।

এক অদ্ভুত সমাপতন! ফুটবল ঈশ্বর কি এভাবেই নিখুঁত ট্র্যাজেডির চিত্রনাট্য লেখেন? ২০০০ সালের ইউরো থেকে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ মাঝে কেটে গেছে ২৬টা বছর। কিন্তু ক্যালেন্ডারের সেই ‘২৯ জুন’ যেন ক্লুইভার্ট পরিবারের কাছে এক চিরস্থায়ী অভিশাপ। বাবার সেই পেনাল্টি মিস, দুই দশক পর ঠিক একই দিনে একইভাবে করলেন ছেলে। ইতিহাস সত্যিই নির্মম, আর ফুটবল তার চেয়েও বেশি রহস্যময়!

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *