আয়ুর্বেদেই সুচিকিৎসা, রাজবৈদ্য পরিবারের বংশধর কাশীনাথই সহায় গ্রামের মানুষের
একদা পুরুলিয়ার পাড়ায় শৈশব বা ছাত্রজীবন কেটেছে কাশীনাথের। কর্মসূত্রে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তিনি কাজ করছেন আয়ুর্বেদ নিয়েই। কিন্তু শিকড়ের টান আজও অনুভব করেন প্রতিনিয়ত। বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমি পুরুলিয়ার দারিদ্র দেখেছি। এই মানুষগুলি বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে যখন আমাকে ফোন করেন, তখন আর থাকতে পারি না। না হলে তো ওঁদেরই কলকাতায় ছুটতে হবে। সেই খরচটুকুও ওঁদের কাছে বাড়তি বোঝা। আমিই চলে আসি। সবার সঙ্গে দেখা হয়। এটা তো আমার কাছেও প্রাপ্তি।’ পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের বাসিন্দা অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি সুগারের সমস্যায় আক্রান্ত। দীর্ঘ আট-ন’বছর তাঁর কাছেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় রয়েছি। অনেক ভালো রয়েছি।’ পুরুলিয়া শহরের বাসিন্দা গৌতম রায়ের কথায়, ‘আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী ভাবে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে চলেছেন এই চিকিৎসক। পুরুলিয়ার বহু গরিব মানুষ স্বল্প খরচে তাঁর চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন। উনি দীর্ঘদিনই কলকাতার বাসিন্দা। কিন্তু আজও পুরুলিয়ার গরিব মানুষগুলির জন্য নিয়মিত ছুটে আসেন।’