আন্ডারডগদের বিশ্বকাপে অঘটনের ভয়? কঙ্গো ম্যাচের আগে হ্যারি কেনদের বিশেষ পাঠ তুচেলের
ফেভারিটদের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা
তুচেল মনে করেন, আধুনিক ফুটবলে কোনও দলকেই আর সহজে ভাঙা যায় না। ছোট দলগুলোও এখন অসাধারণ পরিকল্পনা এবং শৃঙ্খলা নিয়ে মাঠে নামে। তাঁর দাবি, ‘সব দলই দারুণ ভাবে প্রস্তুত। ডিফেন্সও অত্যন্ত শক্তিশালী। ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলে চাপটা স্বাভাবিক ভাবেই বেশি থাকে। কারণ প্রতিপক্ষের হারানোর কিছু থাকে না। সেই কারণেই ম্যাচগুলো আরও কঠিন হয়ে ওঠে।’
তাঁর মতে, ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি হবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে চলা। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে, পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে এবং সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে। প্রতিপক্ষ আন্ডারডগ হিসেবে খেলবে, আর সেই ভূমিকাটা সব সময়ই কিছুটা সুবিধাজনক।’ তবে র্যাঙ্কিং বা বাইরের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তুচেল। তিনি বলেন, ‘ফিফা র্যাঙ্কিং কী বলছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। মাঠে ম্যাচ যে প্রশ্ন ছুড়ে দেবে, তার উত্তর সেখানেই দিতে হবে। তার জন্য দরকার সঠিক মানসিকতা, স্বাধীন ভাবে খেলার আত্মবিশ্বাস এবং মন ও মাথা শান্ত রাখা। আমরা সেই প্রস্তুতিই নিয়েছি।’
‘চাপ পুরোপুরি ইংল্যান্ডের’, দাবি ডিআর কঙ্গো কোচের
অন্যদিকে ম্যাচের আগেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে পাল্টা চাপ ইংল্যান্ডের কাঁধে তুলে দিয়েছেন ডিআর কঙ্গো কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রে (Sebastien Desabre)। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে ডিআর কঙ্গো ইতিমধ্যেই নিজেদের স্বপ্নের অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। উজ়বেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তারা শুধু শেষ ৩২-এ জায়গা করেনি, বিশ্বকাপ ইতিহাসে দীর্ঘ প্রতীক্ষারও অবসান ঘটিয়েছে।