‘পড়তে চাই’, প্রধান শিক্ষকের দ্বারস্থ হয়ে নিজের বিয়ে আটকাল ছাত্রী
ওই ছাত্রী এ দিন বাড়ির নিষেধ উপেক্ষা করে স্কুলে এসে সরাসরি প্রধান শিক্ষক সোমেশ দাসের ঘরে চলে যায়। প্রধান শিক্ষককে জানায়, তার বাড়ির লোকেরা এ দিন বিকেলে মন্দিরে তার বিয়ের আয়োজন করেছে। কিন্তু সে এখন বিয়ে করতে চায় না, পড়াশোনা করতে চায়। ছাত্রীর কথা শুনে প্রধান শিক্ষক সঙ্গে সঙ্গে সবংয়ের বিডিও এবং সবং থানার পুলিশকে সব জানান। বিডিও–র নির্দেশে ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা এবং পুলিশ দ্রুত ছাত্রীর বাড়িতে পৌঁছে যান। বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক ও আইন সম্পর্কে পরিবারকে বোঝানো হয়। শেষ পর্যন্ত বাবা-মায়ের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়, মেয়ের বয়স আঠারো না হওয়া পর্যন্ত তার বিয়ে দেওয়া যাবে না। ভেস্তে যায় বিয়ের পরিকল্পনা। যদিও এদিন বাড়িতে পুলিশ দেখে ছাত্রীর বাবা–মা প্রথমে বলেন, ‘মেয়ের সঙ্গে মজা করে তার বিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।’