OmDayal Group of Institutions: পুঁথিগত পড়াশোনার বাইরে এক বৃহত্তর জীবনের পাঠ দিচ্ছে ওমদয়াল গ্ৰুপ অব ইনস্টিটিউশন | Beyond Textbooks: How OmDayal Group Prepares students for the Real World challenges
ক্লাসরুমের চার দেওয়ালে কখনও কখনও দমবন্ধ হয়ে আসে। ছাপা অক্ষরের ছত্রে ছত্রে আটকে যায় ভাবনার পরিধি। দীর্ঘ লেকচার, কঠিন প্রশ্নপত্র অনেক সময় পড়ুয়ার মনে ভয় ধরিয়ে দেয়, বৃহত্তর পৃথিবীর বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে দূরে সরিয়ে দেয় তরুণ-মনকে। তাই পড়ুয়ারা খোঁজে এমন একটা ক্যাম্পাস, যেখানে সিলেবাসের থেকে বেশি গুরুত্ব পায় অভিজ্ঞতা, পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সঙ্গে উৎসাহ থাকে সৃজনশীলতায়। সেরকমই এক অভিজ্ঞতা দিচ্ছে ওমদয়াল গ্রুপের (OmDayal Group of Institutions) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। পড়ুয়ারা যখন ক্যাম্পাসে পা রাখেন, তখন যেন এক আলাদা অক্সিজেনের স্বাদ পাওয়া যায়।

একজন ছাত্র বা ছাত্রী যখন ওই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন, তখন তাঁর সামনে এক বিরাট সম্ভাবনার দিক খুলে যায়। স্বপ্নের দরজাগুলো একে একে খুলতে শুরু করে। শুধুমাত্র ভালো রেজাল্ট, একটা ভালো চাকরিই লক্ষ্য নয়, ওমদয়াল গ্রুপ পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের এক বৃহত্তর দিক খুলে দেয়।

দিন বদলাচ্ছে, সময় বদলাচ্ছে। গতানুগতিক সিলেবাসের বাইরে তৈরি হচ্ছে বৃহত্তর সম্ভাবনা। তাই বাঁধা ধরা সিলেবাসে আটকে থাকলে চলবে না। তাই প্রত্যেক পড়ুয়ার জন্য ‘ওমদয়াল’ গ্রুপ এনেছে এক অভূতপূর্ব ব্যবস্থা। একজন প্রথম বর্ষের পড়ুয়া যখন ক্যাম্পাসে পা রাখবেন, তাঁর সামনে শুধুই ক্লাসরুম নয়, থাকবে সেমিনার হল, কম্পিউটার সেন্টার, আধুনিক লাইব্রেরি, আর্কিটেকচার স্টুডিও। ক্লাসরুমেও দম আটকে যাওয়ার কোনও জায়গা নেই। ‘মডার্ন’ ক্লাসরুমে বসলেই বোঝা যাবে, পাঠ্যবই আর পরীক্ষার বাইরে এক বৃহত্তর জীবনের অভিজ্ঞতার স্বাদ পেতে চলেছেন পড়ুয়া। বদলে যাবে পঠন-পাঠনের কনসেপ্ট।

পুঁথিগত শিক্ষার বাইরে জীবনে চলার পথে যে চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, সেই সব ধারণা তৈরি হবে এই প্রতিষ্ঠানে। বিভিন্ন বিষয়ে হবে আলোচনা, ল্যাবরেটরিতে হাতে-কলমে শেখার সব আধুনিক ব্যবস্থাও থাকবে। পড়ার বইয়ের ফাঁকে মুখ গুঁজে বাস্তব সমস্যা থেকে দূরে সরে যেতে হবে না।
শুধুই পরিকাঠামোগত ব্যবস্থাতেই নতুনত্ব আছে তাই নয়, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পড়ানোর ধরনও একেবারে আলাদা। নোট মুখস্থ করতে নয়, আলোচনায় উৎসাহ দেন তাঁরা, সৃজনশীল কাজে এগিয়ে দেন, কৌতূহলী মনকে গুরুত্ব দেন। থিয়োরির বাইরে পড়ুয়াদের প্রযুক্তিগত নানা প্রজেক্টে হাতে-কলমে শিক্ষার সুযোগ থাকে। ছবি বা মডেল তৈরি করে নিজেদের ভাবনাকে রূপ দেওয়ার সুযোগ থাকে আর্কিটেকচারের পড়ুয়াদের।
ওয়ার্কশপ, সেমিনার, টেকনিক্যাল সিমপোজিয়ামের মতো ব্যবস্থা ক্যাম্পাসকে পডুয়াদের জন্য অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে। শুধু শিক্ষক-শিক্ষিকা নয়, পডুয়ারা চাইলে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেও নিজেদের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পারেন। আত্মবিশ্বাস তো বাড়বেই।
পড়াশোনার বাইরে সংস্কৃতি চর্চার বড় সুযোগ থাকছে এইসব ক্যাম্পাসে। গানে, সাহিত্যে, বিতর্কসভায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা। সৃজনশীল মনের খিদে মিটবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই। বিশেষত যখন একজন পড়ুয়া দেখবেন, তাঁর ক্যাম্পাস এক রঙিন ক্যানভাসে বদলে যাবে, চোখ ধাঁধানো মঞ্চে আলোর ঝলকানি দেখলে এক লহমায় সব একঘেয়েমি যে কেটে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
শুধুই কি নাচ-গান! ফুটবল ম্যাচ, ক্রিকেট ম্যাচ, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টেও অংশ নিতে পারবেন পড়ুয়ারা। খেলার মধ্যে দিয়ে শৃঙ্খলাপরায়ণতা বাড়বে। গাঢ় হবে বন্ধুত্ব। কলেজ যাতে হয়ে ওঠে একজন পড়ুয়ার দ্বিতীয় ঠিকানা, সেই লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত নতুন সব ব্যবস্থা সংযোজন করছে এই গ্রুপ।
প্রতিষ্ঠানের হস্টেলে বিভিন্ন সংস্কৃতির পড়ুয়ারা একসঙ্গে থাকার সুযোগ পাবেন। একে অপরের সঙ্গে আলোচনায় আরও বেশি সমৃদ্ধ হবেন পড়ুয়ারা। ঐক্যের ধারণা তৈরি হবে তাঁদের মধ্যে। পড়াশোনা শেষ হলে প্লেসমেন্ট বা ইন্টার্নশিপের যে সুযোগ দেবে এই প্রতিষ্ঠান, তাতে পরবর্তী ক্ষেত্রে সুবিধা হবে ছাত্রছাত্রীদের।
এভাবেই ওমদয়াল গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন তৈরি হয় নতুন বন্ধুত্বের গল্প, নতুন নতুন শিক্ষার গল্প। আর এই কয়েকটা বছরের অভিজ্ঞতা থেকে যাবে জীবনভর। শুধু ভালো রেজাল্ট নিয়ে নয়, আত্মবিশ্বাস নিয়ে, আর অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান থেকে বেরবেন পড়ুয়ারা।