বুলডোজারে সাফ রেলের অবৈধ দখল, অভিযান হাওড়া, টিকিয়াপাড়া ও শালিমারে - 24 Ghanta Bangla News
Home

বুলডোজারে সাফ রেলের অবৈধ দখল, অভিযান হাওড়া, টিকিয়াপাড়া ও শালিমারে

Spread the love

হাওড়া স্টেশন, (Howrah) টিকিয়াপাড়া এবং শালিমার স্টেশনের আশেপাশে রেলের জমি দখলমুক্ত করতে বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান চালাল রেল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ এই অভিযান…

হাওড়া স্টেশন, (Howrah) টিকিয়াপাড়া এবং শালিমার স্টেশনের আশেপাশে রেলের জমি দখলমুক্ত করতে বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান চালাল রেল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ এই অভিযান শুরু হয়। একাধিক বুলডোজার ব্যবহার করে স্টেশনের বাইরে থাকা অবৈধ ঘরবাড়ি, দোকান এবং অন্যান্য অস্থায়ী নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা এই বসতি ও বাণিজ্যিক কাঠামো সরিয়ে দিতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, (Howrah) প্রায় ১৬৫টি অবৈধ নির্মাণ এই অভিযানের মাধ্যমে ভেঙে ফেলা হয়েছে। হাওড়া স্টেশনের সংলগ্ন এলাকা, টিকিয়াপাড়া রেল লাইনের পাশের অংশ এবং শালিমার স্টেশনের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে ঘরবাড়ি ও দোকান গড়ে তুলেছিল। রেলের জমি দখল করে এই নির্মাণগুলি গড়ে ওঠায় একদিকে যেমন রেল পরিষেবার কাজে সমস্যা হচ্ছিল, তেমনি নিরাপত্তার বিষয়েও তৈরি হচ্ছিল ঝুঁকি। এই পরিস্থিতিতে রেল কর্তৃপক্ষ অবশেষে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।

উচ্ছেদ অভিযানের আগে কয়েকদিন ধরে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গেছে। রেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দখলকৃত এলাকা খালি না করলে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। (Howrah) শুধু তাই নয়, গত দুই-তিন দিন ধরে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ) এলাকায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের সতর্ক করে এবং দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপরও যারা স্থান না ছাড়ায় মঙ্গলবার সকালে শুরু হয় উচ্ছেদ প্রক্রিয়া।

অভিযান চলাকালীন এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ), সরকারি রেল পুলিশ (জিআরপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (রাফ) এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো এলাকাকে ঘিরে ফেলা হয় নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে।

উচ্ছেদ অভিযানে মোট চারটি বুলডোজার এবং একটি ক্রেন ব্যবহার করা হয়। সকাল থেকেই একের পর এক অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়। দোকানপাট, অস্থায়ী ঘর এবং ছোট ছোট কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে মাটিতে মিশে যায়। বহু বছর ধরে গড়ে ওঠা এই বসতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অনেক বাসিন্দাকে অসহায় অবস্থায় দেখা যায়। কেউ কেউ নিজেদের জিনিসপত্র সরানোর চেষ্টা করেন, আবার কেউ দূর থেকে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *