পছন্দ নয় হবু বরকে! তবু কেতনের থেকে কেন ১ কোটি টাকা নিয়েছিলেন সিয়া?
পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলায় তদন্তে উঠে এসেছে টাকা লেনদেনের তথ্য। খুনে অভিযুক্ত সিয়া গোয়াল হবু বর কেতন আগরওয়ালের থেকে নাকি এক কোটি টাকা নিয়েছিলেন। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, কেতনের কাছে বিয়ের প্রস্তুতি ও কেনাকাটার আবদার করে এক কোটি টাকা চেয়েছিলেন সিয়া। হবু বউয়ের আবদার মেটাতে সে টাকা দিয়েও দিয়েছিলেন ২৬ বছরের ওই তরুণ। কিন্তু বাবার অগাধ সম্পত্তি থাকলেও কেন কেতনের কাছে টাকা চেয়েছিলের সিয়া?
তদন্তে উঠে এসেছে, কেতন ও সিয়ার বিয়ে সামনে রেখেই বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছিল। অভিযোগ, সেই অর্থ বিয়ের খরচে ব্যবহার না করে বরং প্রেমিককে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ২০ বছরের তরুণী। নিজের প্রেমিক চেতন চৌধুরীর ব্যবসা সেট করতে ও নিজের সুন্দর ভবিষ্যতের পরিকল্পনাতেই কেতনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন সিয়া গোয়েল। আসলে সিয়ার প্রেমিক চেতন চৌধরির অর্থনৈতিক স্ট্যাটাস ততটা মজবুত ছিল না। তাই প্রেমিকার কাছে সে তিন বছর সময় চেয়েছিল সে। কিন্তু অপেক্ষা করা অসম্ভব বুঝেই প্রেমিকের আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত করার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন সিয়া বলে অনুমান। গয়াল পরিবারের কারও কাছে টাকা চাওয়া নিরাপদ নয় বুঝেই কি কেতনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন সিয়া? তদন্তকারীদের অনুমান, এই আর্থিক সম্পর্ক মামলার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য বা মোটিভ বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
এর আগের তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছিল যে, হত্যার পর কয়েক বছর অপেক্ষা করে পরবর্তীতে একসঙ্গে থাকার পরিকল্পনা নিয়েও অভিযুক্তদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। ভবিষ্যতের ঘর বাঁধার পরিকল্পনাকে আরও মজবুত করতেই কেতনের থেকে ১ কোটি টাকা নিয়ে থাকতে পারেন সিয়া।
প্রসঙ্গত, ১৮ জুন পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে খাদে ঠেলে কেতন আগরওয়ালকে খুনের অভিযোগ উঠেছে, তাঁর বাগদত্তা সিয়া গয়াল ও সিয়ার প্রেমিক চেতন চৌধরির বিরুদ্ধে। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলে সিয়া গোয়াল একটি পূর্বনির্ধারিত সংকেত দেন এবং তার পরেই চেতন চৌধুরী কেতনকে খাদে ঠেলে দেয়। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনা পুনর্নির্মাণও করেছে।