নাবালিকাকে জোর করে গোমাংস-সৌদিতে বিক্রির হুমকি! যোগী রাজ্যে পুলিশের জালে আরমানের পরিবার - 24 Ghanta Bangla News
Home

নাবালিকাকে জোর করে গোমাংস-সৌদিতে বিক্রির হুমকি! যোগী রাজ্যে পুলিশের জালে আরমানের পরিবার

Spread the love

কানপুর: উত্তরপ্রদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় শহর কানপুরে (Kanpur)ঘটে গেছে হাড়হিম করা ঘটনা। এক নাবালিকা মেয়ের ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনায় শহরজুড়ে ছড়িয়েছে ক্ষোভ। ১৭ বছরের এক…

কানপুর: উত্তরপ্রদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় শহর কানপুরে (Kanpur)ঘটে গেছে হাড়হিম করা ঘটনা। এক নাবালিকা মেয়ের ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনায় শহরজুড়ে ছড়িয়েছে ক্ষোভ। ১৭ বছরের এক কিশোরী অভিযোগ করেছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে আরমান খান নামে এক যুবক তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। প্রায় ছয় দিন ধরে তাকে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়।

মেয়েটি সাহসিকতার সঙ্গে পালিয়ে এসে অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে আরমান খানকে গ্রেফতার করেছে।ঘটনাটি ঘটেছে কানপুরের রাওয়াতপুর এলাকায়। কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ অনুসারে, ২১ জুন সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। চামানগঞ্জের বাসিন্দা আরমান খান, মোটি ঝিলের কার্গিল পার্কে আগে তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কথাবার্তার মাধ্যমে আস্থা অর্জন করে তাকে ডেকে নিয়ে যান বলে মেয়েটি পুলিশকে জানিয়েছে। অপহরণের পর তাকে আরমান খানের বাড়িতে আটকে রাখা হয়। ছয় দিনের ওই সময়টি তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছিল।কিশোরী পুলিশের কাছে যে বয়ান দিয়েছে তা শুনলে গা শিউরে ওঠে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আর্মান খান ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করেন। কলমা পড়ানো হয়, উর্দুতে লেখা কাগজে সই করতে বাধ্য করা হয়। গরুর মাংস খাওয়ানো হয় এবং বোরখা পরিয়ে রাখা হয়। সবচেয়ে নৃশংস হল গরম সাঁড়াশি দিয়ে তার শরীরে অত্যাচার চালানো হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি মানসিক চাপও দেওয়া হয়।

তাকে বলা হয়, “যদি না মানো, তাহলে সৌদি আরবে বিক্রি করে দেব।” এক নাবালিকার কাছে এই হুমকি কতটা ভয়াবহ ছিল তা সহজেই অনুমান করা যায়।ছয় দিনের অন্ধকারময় সময়ের পর কিশোরী কোনোমতে সুযোগ পেয়ে পালিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। বাড়িতে ফিরে এসে সে তার পরিবারকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। পরিবার তৎক্ষণাৎ রাওয়াতপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং আর্মান খানকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষা হয়েছে এবং তার বয়ান অনুসারে তদন্ত এগোচ্ছে। অন্যান্য অভিযুক্তদেরও খোঁজ চলছে।এই ঘটনা কানপুরের সমাজে গভীর প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, সোশ্যাল মিডিয়া কতটা নিরাপদ আমাদের সন্তানদের জন্য? একটি নাবালিকা মেয়ে কীভাবে এমন ফাঁদে পা দিল? পরিবারগুলো এখন সতর্ক হয়ে উঠেছে। অনেক অভিভাবক বলছেন, “ছেলেমেয়েদের মোবাইল ব্যবহার নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে। অচেনা কারও সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করতে হবে।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *