জমিদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া হলো চেক - 24 Ghanta Bangla News
Home

জমিদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া হলো চেক

Spread the love

এই সময়, রামনগর: জমি অধিগ্রহণের জট কাটিয়ে নন্দকুমার-দিঘা ১১৬ বি জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু হতে চলেছে কিছুদিনের মধ্যে। শনিবার রামনগর-১ বিডিও অফিসে প্রালিসাই থেকে রামনগরের ঠিকরা পর্যন্ত বাইপাস তৈরির জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অধিগৃহীত জমির মালিকদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হলো। চেক বিলির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী অরূপ কুমার দাস, জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ দিঘা-নন্দকুমার ১১৬ বি জাতীয় সড়কের বেশিরভাগ অংশ তুলনায় কম চওড়া হওয়ার পাশাপাশি হেঁড়িয়া, নাচিন্দা, বালিসাই, রামনগর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় যানবাহনের গতি যেমন কমেছে, তেমনি যানজট সমস্যা গুরুতর আকার নিয়েছে। যে কারণে প্রতিদিন দিঘার পর্যটকদের পাশাপাশি ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের মতো পর্যটন কেন্দ্রে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ পর্যটক বেড়াতে আসেন প্রতি বছর।

দিঘা পর্যন্ত রেল যোগাযোগ থাকলেও পর্যটকদের বেশিরভাই সড়কপথে শাড়িতে যাতায়াত করেন। পুজোর সময় বা দিন কয়েকের টানা ছুটি থাকলে দিঘায় পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে। তখন যানজটের সমস্যা আরও জটিল আকার নেয়। তা ছাড়া দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি নিয়ে রাজ্য সরকারের ঘোষণার পরে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত শেষ করতে চাইছে প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, নন্দকুমার থেকে দিঘা পর্যন্ত রাস্তা ধাপে ধাপে চওড়া করা হবে। চাউলখোলা থেকে দিঘা পর্যন্ত রাস্তার সম্প্রসারণ ও বালিসাই- রামনগর বাইপাস তৈরির জন্য ৪৩ একর জমি অধিগ্রহণের কাজ ১০০ শতাংশ সম্পূর্ণ। বেশির ভাগ জমিদাতাই ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়ে গিয়েছেন। আগের সরকারের আমলে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হলেও নানা কারণে তা আটকে যায়। সেই জট কাটিয়ে এ দিন ২০ জন জমিদাতার হাতে প্রশাসনের তরফে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হয়।

জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার বলেন, ‘১০০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি চাউলখোলা থেকে দিঘা পর্যন্ত রাস্তা ও বালিসাই-রামনগর বাইপাস তৈরির কাজ শুরু করা হবে।’ সেচমন্ত্রী অরূপকুমার দাস বলেন, ‘আগের তৃণমূল সরকারের উদ্যোগের অভাবে জমি অধিগ্রহণের কাজ আটকে ছিল। এখন বাইপাসের কাজ দ্রুত শুরু হবে। ১০ মিটার চওড়া বাইপাসের কাজ শেষ হলে সমস্ত যানবাহন বাইপাস দিয়ে চলাচল করবে।’

কাঁথির বিজেপি সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কী কারণে কাদের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ আটকে গিয়েছিল তা সকলের জানা। তবে নির্বাচনের আগে রামনগর ও দিঘার উন্নয়নের জন্য সংকল্পপত্রে যে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষমতায় আসার দু’মাসের মধ্যে তা পুরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *