দীর্ঘ তল্লাশির পর SIT জালে ধরা পড়লেন কালীচরণ - 24 Ghanta Bangla News
Home

দীর্ঘ তল্লাশির পর SIT জালে ধরা পড়লেন কালীচরণ

Spread the love

তারাতলার ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে যখন তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, তখন মুখ্যমন্ত্রীর একটি মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। (SIT) ঘটনাটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া…

kalicharan-nabbed-by-sit-after-an-extensive-manhunt

তারাতলার ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে যখন তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, তখন মুখ্যমন্ত্রীর একটি মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। (SIT) ঘটনাটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কালীকে তুললে সব বেরিয়ে যাবে।” এই একটি মন্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপে আটক করা হয় তাঁকে। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কে এই কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়? কেন তাঁকে ঘিরে এত আলোচনা?

কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় (SIT) কোনও রাজনৈতিক নেতা নন, কোনও জনপ্রতিনিধিও নন। তিনি একজন সরকারি আধিকারিক। কিন্তু কলকাতা পুরনিগমের অন্দরে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর প্রভাব নিয়ে নানা আলোচনা ছিল। পুরনিগমের একাধিক সূত্রের দাবি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের অগ্রগতি সব ক্ষেত্রেই কালীচরণের মতামত ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনও শোনা যায়, তাঁর অনুমোদন বা নির্দেশ ছাড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ কার্যকর হত না।

পুরনিগমের অন্দরে কর্মরত একাধিক আধিকারিকের মতে, কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন এমন একজন কর্মকর্তা, যিনি প্রশাসনিক স্তরে অসাধারণ প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আস্থাভাজন হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ছিল। প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে মেয়রের অন্যতম ভরসার মানুষ হিসেবে তাঁর নাম বহুবার উঠে এসেছে। ফলে কলকাতা পুরনিগমের কার্যত নেপথ্যের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন তিনি।

তারাতলার মর্মান্তিক ঘটনার পর যখন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসা স্বাভাবিকভাবেই নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনও গাফিলতি হয়েছিল কি না, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ভূমিকা কী ছিল, কিংবা কোনও নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছিল কি না এসব বিষয় এখন তদন্তের আওতায় রয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *