PM Narendra Modi: ১৯৪ বছরের ইতিহাসের সাক্ষ্মী! বিশ্বের সবথেকে ‘দীর্ঘজীবী’ প্রাণীর সঙ্গে দেখা করলেন মোদী, জানেন কে সে? | PM Narendra Modi met Jonathan, world’s oldest living land animal, during his Seychelles visit
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।Image Credit: PTI
ভিক্টোরিয়া: বয়স ১৯০ বছরের বেশি। বিশ্বের সবথেকে ‘প্রবীণ’ সদস্য। এবার সেই সদস্যের সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। তিনদিনের সেশেলস সফরে গিয়েছেন মোদী। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। সেই উপলক্ষেই আজ সেশেলসে (Modi visit in Seychelles) পৌঁছেছেন তিনি। সেখানেই বিশ্বের দীর্ঘজীবী প্রাণীর সঙ্গে দেখা করলেন মোদী। জানেন কে সে?
কার সঙ্গে দেখা করেছেন মোদী?
বিশ্বের ওই দীর্ঘজীবী প্রাণী আসলে একটি কচ্ছপ। বলা হয় সেশেলসের জায়েন্ট কচ্ছপ (Seychelles Giant Tortoise)। নাম জোনাথন। অনুমান করা হয়, কচ্ছপের জন্ম ১৮৩২ সালে। সেই হিসেবে বর্তমানে ওই কচ্ছপের বয়স প্রায় ১৯৪ বছর। জোনাথনকে বিশ্বের দীর্ঘজীবী স্থল প্রাণী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে বেঁচে থাকা এই কচ্ছপ বিশ্বের একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। ভারতে ব্রিটিশ যুগ থেকে বর্তমানে উন্নত এআই প্রযুক্তির যুগ…সবকিছুরই সাক্ষ্মী এই কচ্ছপ।
আজ সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই জোনাথনের সঙ্গে দেখা করেন। বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান। পরে বৃক্ষরোপণও করেন। জানা গিয়েছে, এই বিশেষ কর্মসূচির পর সেশেলসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকও করবেন মোদী।
কেমন আছে জোনাথন?
জানা গিয়েছে, বয়স ১৯৪ হলেও এখনও শারীরিক দিক থেকে সুস্থ জোনাথন। নিয়মিত পশু চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে তাকে। যদিও বয়সজনিত কারণে চোখে ছানি পড়েছে এবং ঘ্রাণশক্তিও আগের মতো নেই। তবু এখনও সেশেলসের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এই বিশালাকার কচ্ছপ। বিজ্ঞানীদের কাছেও জোনাথন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘায়ু ও বার্ধক্য নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে তাকে নিয়ে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
মোদীর এই সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন সফর ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। সেখানে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা দেন তিনি। এই সফরে ভারত ও সেশেলসের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ব্লু ইকোনমি, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।