হুমকি ই-মেল! খলিস্তানি হামলার ছক? দিল্লি-উত্তরাখণ্ডে জারি হাই-অ্যালার্ট - 24 Ghanta Bangla News
Home

হুমকি ই-মেল! খলিস্তানি হামলার ছক? দিল্লি-উত্তরাখণ্ডে জারি হাই-অ্যালার্ট

Spread the love

নয়াদিল্লি/দেরাদুন: দেশে বড়সড় জঙ্গি হামলার সতর্কতা! দিল্লি পুলিশ, উত্তরাখণ্ড পুলিশ এবং দেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে নাশকতার হুমকি দিয়ে ইমেল আসার পরেই দেশজুড়ে চূড়ান্ত সতর্কতা…

নয়াদিল্লি/দেরাদুন: দেশে বড়সড় জঙ্গি হামলার সতর্কতা! দিল্লি পুলিশ, উত্তরাখণ্ড পুলিশ এবং দেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে নাশকতার হুমকি দিয়ে ইমেল আসার পরেই দেশজুড়ে চূড়ান্ত সতর্কতা বা হাই-অ্যালার্ট (High Alert) জারি করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের সূত্র উদ্ধৃত করে জানা গিয়েছে, এই হামলার নেপথ্যে খলিস্তানি জঙ্গিদের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। (India High Alert Terror Threat)

দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, হুমকি ইমেলগুলিতে মূলত দিল্লি এবং উত্তরাখণ্ডের একাধিক মন্দির, সরকারি কার্যালয় এবং রাজনৈতিক নেতাদের নিশানা করার কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলির জারি করা সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বড়সড় হামলা চালাতে পারে খলিস্তানি জঙ্গিরা। উত্তরাখণ্ড থেকে শুরু করে দিল্লির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্দির, সরকারি প্রতিষ্ঠান, রেলওয়ে স্টেশন এবং পুলিশ কর্মীদের টার্গেট করা হতে পারে।

নিহঙ্গ শিখ ও পুলিশের সংঘাত

উত্তরাখণ্ডে সম্প্রতি নিহঙ্গ শিখদের সঙ্গে পুলিশের যে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, ঠিক তার পরেই এই নাশকতার হুমকি মেলার কারণে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

কী নিয়ে সূত্রপাত এই বিবাদের?

উত্তরাখণ্ডের চামোলির কর্ণপ্রয়াগে বিবাদের সূত্রপাত হয়। চামোলি পুলিশের দাবি, হেমকুণ্ড সাহেব যাত্রা থেকে ফেরার পথে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বচসায় জড়ান নিহঙ্গ শিখ পুণ্যার্থীরা। কথা কাটাকাটি থেকে তা হিংসাত্মক রূপ নেয় এবং স্থানীয়দের ওপর তলোয়ার নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় ৪ জন আহত হন। পুলিশ ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করে এবং ৪ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠায়।

এই গ্রেফতারির প্রতিবাদেই পথে নামে নিহঙ্গরা। ২০ জুন রুদ্রপ্রয়াগের একটি গুরুদ্বার দখল করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা এবং ধ্যানে বসেন। পরে ২৩ জুন সেখান থেকে সরে যান।

গত ২৫ জুন একটি বড় দল দেরাদুনে মিছিল করে ধৃত ৪ জনের মুক্তির দাবি তোলে। তবে, হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড সীমান্তে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পর আপাতত পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে। পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, তদন্তে কোনও পক্ষপাতিত্বের যে অভিযোগ উঠেছে, তা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে। এরপরই বিক্ষোভ থেকে কিছুটা পিছু হঠেন নিহঙ্গরা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *