আইভিএফ করার আগে কী ভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়? জানুন এই ৫ জরুরি তথ্য
আইভিএফ (IVF) প্রক্রিয়াটি আসলে কী?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, IVF হলো নিখুঁত ভাবে সময় মেপে চলা কয়েকটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার সমষ্টি। এই পদ্ধতিতে সন্তানধারণ করতে গেলে কোন কোন পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়?
১. ডিম্বাশয় উদ্দীপনা: প্রথমে সন্তানধারণে আগ্রহী মহিলার শরীরে এমন কিছু হরমোন ইঞ্জেকশন দেওয়ার হয়, যার মাধ্যমে ডিম্বাশয়কে উদ্দীপিত করা হয়। যাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সংখ্যায় ডিম্বাণু তৈরি হয়।
২. ডিম্বাণু সংগ্রহ: এর পর সাময়িক ভাবে অচৈতন্য করে একটি সংক্ষিপ্ত এবং প্রায় ব্যথাহীন অস্ত্রোপচারের সাহায্যে পরিপক্ক ডিম্বাণুগুলো ওই মহিলার ডিম্বাশয় থেকে সংগ্রহ করা হয়।
৩. ল্যাবরেটরিতে ফার্টিলাইজ়েশন: ল্যাবের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সংগৃহীত ডিম্বাণুগুলোকে পুরুষ সঙ্গীর শুক্রাণুর সঙ্গে ফার্টিলাইজ় করা হয়।
৪. ভ্রূণ স্থানান্তর: ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনে তৈরি হওয়া সুস্থ ভ্রূণকে (Embryo) কয়েকদিন পর ওই মহিলার জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়।
৫. দুই সপ্তাহের অপেক্ষা: ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের পরের দুই সপ্তাহ দম্পতিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রতিস্থাপন সফল হলে তবেই বোঝা যাবে ওই মহিলা অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন কি না।