কামাখ্যায় হতো নরবলি? কেন বিশেষ এই অম্বুবাচী? জানুন নিবৃত্তির পরে রাশি মিলিয়ে কী করলে মিলবে সাফল্য
কেন বিশেষ কামাখ্যা মন্দির?
নীলাচল পাহাড়ে সতী পূজিত হন আদিশক্তি কামাখ্যা রূপে। যাঁকে সৃষ্টি ও উর্বরতার দেবী হিসাবে গণ্য করা হয়। এই মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তন্ত্র সাধনার বিরাট ইতিহাস।
ঐতিহাসিকদের একাংশের মতে, কামাখ্যা মন্দিরটি এক সময়ে স্থানীয় খাসি বা কিরাত উপজাতির বলির স্থান ছিল। পশুবলি তো বটেই, এমনকী নরবলিও প্রচলিত ছিল! এটি ছিল বিশেষ কিছু তান্ত্রিক ক্রিয়াকলাপের অঙ্গ, নিত্যদিনের পুজোর অংশ নয়। বেশির ভাগ ঐতিহাসিকই একমত যে, কামাখ্যায় একদা নরবলির প্রথা ছিল। তবে তা প্রাচীন আমলে, সম্ভবত কোচ রাজাদের পুনর্নির্মাণের (১৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দ) বহু আগে। মনে করা হয়, পঞ্চদশ বা ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যেই এই প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। ব্রিটিশ শাসনকালে এবং স্বাধীনতার পরে ভারতে নরবলি আইনত নিষিদ্ধ করা হয়। তবে ছাগ ও মহিষবলি এখনও দেওয়া হয়। যা দক্ষিণাচার মতে হয়ে থাকে।
অম্বুবাচী নিবৃত্তি কখন?
অম্বুবাচী প্রবৃত্তি হয়েছিল ২২জুন। নিবৃত্তি হবে ২৬ জুন, শুক্রবার ১১ আষাঢ় রাত ১০টা বেজে ৫৭ মিনিটে।
রাশি মিলিয়ে জানুন কী করলে মনস্কামনা পূরণ হবে
মেষ: সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালিয়ে শান্ত মনে বসে মনোবাসনা জানান।
বৃষ: গাছে জল দিন, পশুপাখিকে খাবার খাওয়ান, মানসিক শান্তি পাবেন।
মিথুন: নিজের ইচ্ছা লিখে প্রতীকী ভাবে প্রবাহিত জলে বিসর্জন দিন।
কর্কট: দেবীর সামনে বসে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।
সিংহ: পিতৃপুরুষদের উদ্দেশে জল অর্পণ করুন।
কন্যা: ঘর পরিষ্কার করে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন।
তুলা: পুরোনো সম্পর্ক ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করুন।
বৃশ্চিক: ধ্যান, সাধনা ও মন্ত্রোচ্চারণ করে সময় কাটান।
ধনু: ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও গুরুবাক্য শ্রবণে মনোনিবেশ করুন।
মকর: সাধ্যমতো দান-ধ্যান করে শুভ ফল লাভ করুন।
কুম্ভ: অসহায় বা অভাবগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান।
মীন: ধ্যান করে নিজের সঙ্গে সময় কাটান, মনের জট খুলবে।