Ritabrata Banerjee: তৃণমূলের নাম-প্রতীকের দাবি জানাবেন? বড় কথা বলে দিলেন ঋতব্রত | Who Controls Trinamool? Ritabrata Banerjee Claims Rebel Faction Is the Real TMC After Arup Roy’s Appointment
কী বললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: আসল তৃণমূল কারা? কাদের হাতে থাকবে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক? গত কয়েকদিন ধরে বঙ্গ রাজনীতিতে এই নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। মঙ্গলবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা সিইও দফতরে যাওয়ার পর সেই জল্পনা আরও বাড়ে। প্রশ্ন উঠে, তৃণমূলের নাম ও প্রতীকের দাবি জানাতেই কি সিইও দফতরে এসেছেন ঋতব্রতরা? সেই জল্পনা খারিজ করে দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত। উল্টে তিনি দাবি করলেন, তাঁরা অরূপ রায়কে চেয়ারম্যান নির্বাচন করার পর আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে তাঁরাই এখন তৃণমূল। নাম এবং প্রতীক আলাদা করে চাওয়ার প্রয়োজন নেই।
সোমবার (২২ জুন) নিউটাউনের একটি হোটেলে ঋতব্রত নেতৃত্বে একটি সম্মেলনের আয়োজন করেছিল তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা-জনপ্রতিনিধিরা। সেখানেই তৃণমূলের চেয়ারম্যান করা হয় হাওড়া মধ্যের বিধায়ক অরূপ রায়কে। সহসভাপতি করা হয় ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, রথীন ঘোষ এবং সাবিনা ইয়াসমিনকে। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান এবং সন্দীপন সাহা। দলের কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আখরুজ্জামানকে। বিদ্রোহীদের এই সংগঠনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাভাবিকভাবে কোনও পদে রাখা হয়নি।
এরপর গতকাল নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠান ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কর্মসমিতিতে কারা রয়েছেন, সেকথা জানিয়ে চিঠি পাঠান তিনি। জানা গিয়েছে, তালিকায় ২৪ জনের নাম রয়েছে। সেখানে চেয়ারপার্সন হিসেবে মমতার নাম এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাম রয়েছে অভিষেকের।
মমতার চিঠির পর মঙ্গলবার সন্ধেয় সিইও দফতরে যান ঋতব্রতরা। তাঁরাই আসল তৃণমূল, এই দাবি জানাতেই কি সিইও দফতরে তাঁরা এসেছেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় ঋতব্রতকে। যার জবাবে ঋতব্রত বলেন, “অরূপ রায়ের নির্বাচনের পর আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আমরা তৃণমূল। তাই নাম বা প্রতীক চাইব না।” স্পষ্ট করে দিলেন, ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে তাঁরাই থাকছেন। ফলে আলাদা করে নাম বা প্রতীকের দাবি করার প্রয়োজন নেই তাঁদের।
এর আগে চেয়ারম্যান নির্বাচনের পর ঋতব্রত বলেছিলেন, “আমাদের গোটা লড়াইটা একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে সমবেত লড়াই। আমরা সমবেতভাবে বসে সবকিছু ঠিক করব। প্রাথমিকভাবে আমাদের রাজ্য কমিটি গঠন হবে। জেলা সভাপতি ও জেলা সংগঠন হবে। এটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করা হবে। বিধানসভার অধিবেশন শেষ হলেই এটা আমরা করে ফেলব।”