রাজনৈতিক কাজে নয়, কলকাতা মেডিক্যালের সেমিনার হল ব্যবহার হবে অ্যাকাডেমিক কাজে, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

রাজনৈতিক কাজে নয়, কলকাতা মেডিক্যালের সেমিনার হল ব্যবহার হবে অ্যাকাডেমিক কাজে, বাংলার মুখ

Spread the love

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার হল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ। আর কোনওভাবেই রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বা কাজের জন্য ব্যবহার করা যাবে না কলেজের সেমিনার হল। এমনই সিদ্ধান্তে পৌঁছল কলেজ কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসা শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে এবার থেকে শুধুমাত্র একাডেমিক ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অনুষ্ঠানেই মিলবে এই হল ব্যবহারের অনুমতি। সেইসঙ্গে গঠিত হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট কমিটি, যাঁদের মতামতের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের সব ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে বলে জানা যাচ্ছে। (আরও পড়ুন: কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে নয়া মোড়, CBI চেয়ে মামলায় যুক্ত হতে চায় নির্যাতিতার পরিবার)

আরও পড়ুন: এবার র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে, তদন্ত শুরু করল কমিটি

সূত্রের খবর, বুধবার কলেজ কাউন্সিলের জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার আগে চিকিৎসক দিবসের দিন কলেজে এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভূঁইয়ার বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়ায়। তাঁর মন্তব্য, ‘বাংলায় ছোট একটা ঘটনা ঘটলেই গেল গেল রব।’ যদিও মন্ত্রী পরে সাফাই দিয়ে বলেন, তাঁর মন্তব্যের সঙ্গে কসবাকাণ্ডের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে ওই মন্তব্য ঘিরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে ছাত্রসমাজ। কলেজের অধ্যক্ষের ঘরের সামনে চলে বিক্ষোভ ও ঘেরাও। তাঁদের দাবি ছিল, এই মন্তব্যের প্রতিবাদে কলেজ কর্তৃপক্ষকে নিন্দা জানাতে হবে এবং দ্রুত একটি পরিষ্কার নীতিমালা গঠন করতে হবে। কলেজ প্রশাসন সেই দাবিগুলিকে গুরুত্ব দিয়ে কাউন্সিল বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। (আরও পড়ুন: আরও বিপাকে কসবা গণধর্ষণে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ, এবার কী হবে?)

আরও পড়ুন: ধর্ষণের পর কত রাত পর্যন্ত কসবা কলেজে ছিল মনোজিৎ? প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছিল?

সেই বৈঠকেই জানানো হয়, সেমিনার হল ব্যবহারের নিয়মে আসছে বদল। তৈরি হবে একটি প্রতিনিধিত্বমূলক কমিটি, যেখানে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও প্রশাসনের সদস্যরা থাকবেন। ভবিষ্যতে হল বরাদ্দ দেওয়ার আগে এই কমিটির অনুমোদন নিতে হবে তা সে যেকোনও অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেই হোক না কেন। বৈঠক শেষে কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. অঞ্জন অধিকারী বলেন, কলেজের মধ্যে এমন কোনও মন্তব্য বা আচরণ সমর্থনযোগ্য নয়, যা অশান্তি ছড়াতে পারে বা কারও মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে শান্তিপূর্ণ ও একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখাই কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *