মেট্রোয় চাপতে উন্মুখ শহরবাসী, পুরসভাও পাচ্ছে শিলিগুড়ির শিবমন্দির - 24 Ghanta Bangla News
Home

মেট্রোয় চাপতে উন্মুখ শহরবাসী, পুরসভাও পাচ্ছে শিলিগুড়ির শিবমন্দির

Spread the love

এই সময়, শিলিগুড়ি: ২০ বছর অপেক্ষার পরে পুরসভা পেতে চলেছে শিলিগুড়ির শিবমন্দির। সোমবার রাজ্য বাজেটে উত্তরবঙ্গের জন্য নানা প্রকল্প দিয়েছে বিজেপি সরকার। এইমস থেকে আইআইটি, মেট্রো রেল থেকে আইটি পার্ক, লজিস্টিক হাব। টি-ট্যুরিজমের ক্ষেত্রেও জমির পরিমাণ ৩০ শতাশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। একসঙ্গে এত প্রকল্প পেয়ে আনন্দে আত্মহারা শিলিগুড়ির বাসিন্দারা। শিবমন্দিরের বাসিন্দা দীপ্তেন্দু ঘোষ বলেন, ‘২০০৬-এ বামফ্রন্ট সরকার শিবমন্দিরকে পুরসভা করার ঘোষণা করে। সেই থেকে অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে স্বপ্নপূরণ হলো।’ এই এলাকা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে হলেও উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় লাগোয়া আঠারোখাই গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শিবমন্দির এখন আবর্জনা আর নিকাশি নালার মতো নাগরিক সমস্যায় ক্লিষ্ট। এ বার এলাকার হাল ফিরবে বলে মনে করছেন তিনি।

ফেডারেশন অফ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, নর্থ বেঙ্গলের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘দীর্ঘদিন পরে রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রয়োজন বুঝে বাজেট করল। এই বাজেটে কর্মসংস্থানের যেমন সুযোগ রয়েছে, তেমনই বিনিয়োগ সম্ভাবনাও রয়েছে।’ বাজেট নিয়ে নর্থ বেঙ্গল চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাধারণ সম্পাদক আয়ুষ আগরওয়াল বলেন, ‘উত্তরবঙ্গকে রাজ্য বাজেটে এত কিছু দেওয়া হয়েছে যে এক কথায় বলা সম্ভব নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন, কৃষি, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ, সবদিকেই নজর দেওয়া হয়েছে।’ শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি মেট্রো রেল চালুর সম্ভাবনায় উচ্ছ্বসিত হাকিমপাড়ার বাসিন্দা সৈকত রায়।

তিনি বলেন, ‘পেশাগত কারণে প্রতিদিন জলপাইগুড়িতে যেতে হয়। বাসে যাতায়াতে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। মেট্রো চালু হলে সেই দুঃখ ঘুচবে।’ তিস্তা প্রকল্পে রাজ্য সরকার ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়ায় খুশি ফাঁসিদেওয়ার কৃষকেরা। গত ১৫ বছর ধরে অবহেলায় পড়েছিল তিস্তা সেচ প্রকল্প। সেই প্রকল্পের ফের পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনায় লিছুপোখরির বাসিন্দা রঞ্জন রায় বলেন, ‘আমাদের এই এলাকায় সেচের জলের অভাব। তিস্তা সেচ প্রকল্পটি বেহাল হয়ে পড়ায় চাষ প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম। এ বার মনে হয় নতুন করে শুরু করতে পারব।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *