মমতার চেয়ার গেল, পদহীন অভিষেকও, সিদ্ধান্ত বিদ্রোহী তৃণমূলের ‘স্পেশাল সেশনে’
অভিষেককে নিয়ে কথা না হলেও তাঁকেও এ দিন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে বিদ্রোহী তৃণমূল। তাদের তৈরি করা নতুন কমিটি অনুযায়ী, চার জনকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা এবং সাবিনা ইয়াসমিন। তবে বিদ্রোহী তৃণমূলের এ সব সিদ্ধান্ত মানতে চাইছেন না কালীঘাটের নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর তৃণমূল সমার্থক। ফলে কে কোন হোটেলে বৈঠক করে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে কিছু এসে যায় না। কালীঘাট শিবিরের তরফে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, ‘দলের সংবিধান অনুযায়ী এ রকম করা যায় না। তৃণমূলের সংবিধানে স্থায়ী চেয়ারপার্সন হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামই আছে। তাঁকে সরানো যায় না।’ তবে তৃণমূল সংবিধান অনুযায়ী, দলের চেয়ারপার্সন পদটি চিরস্থায়ী কোনও বন্দোবস্ত নয়। এই পদেও নির্বাচন হওয়ার কথা। এ দিন নিউ টাউনের হোটেলে বিদ্রোহী তৃণমূলের ‘স্পেশাল সেশন’ শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত বলেন, ‘আমরা যা করছি, দলের সংবিধান এবং আইন মেনে। গণতান্ত্রিক কাঠামোর বাইরে কিছু হচ্ছে না।’ এখনও কালীঘাট শিবিরের ফোল্ডে থাকা কুণাল ঘোষের দাবি, ‘তৃণমূল মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাদবাকি যা হচ্ছে, সেটা সার্কাস। যাঁকে দল বহিষ্কার করেছে, তিনিই তৃণমূলের স্পেশাল সেশন ডাকছেন। এটা কমেডি শো ছাড়া আর কী হতে পারে!’ জবাবে ঋতব্রত বলেন, ‘সার্কাস হচ্ছে কি না, সেটা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে।’