নস্ট্যালজিয়ার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের প্রেম, ‘ককটেল ২’ জমল কি? - 24 Ghanta Bangla News
Home

নস্ট্যালজিয়ার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের প্রেম, ‘ককটেল ২’ জমল কি?

Spread the love

আরাত্রিকা দে

২০১২-এ ‘ককটেল’ বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় রোম্যান্টিক ছবিগুলির মধ্যে একটি। সেই ছবির স্মৃতি এখনও দর্শকদের মনে তাজা। তাই ‘ককটেল ২’ নিয়ে প্রত্যাশাও ছিল অনেক। হোমি আদাজানিয়ার পরিচালনায় নতুন এই ছবিতে শাহিদ কাপুর, কৃতি স্যানন এবং রশ্মিকা মন্দানা হাজির হয়েছেন। সম্পর্ক, আবেগ এবং অনিশ্চয়তাকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে ছবির গল্প।

ছবির কেন্দ্রে কুণাল, যার চরিত্রে শাহিদ কাপুর। একদিকে দিয়া (রশ্মিকা মন্দানা), অন্য দিকে প্রাণবন্ত ও বেপরোয়া অ্যালি (কৃতি স্যানন)। এই তিনজনের সম্পর্কের টানাপড়েন, ভুল বোঝাবুঝি এবং আবেগের ওঠাপড়া নিয়েই এগিয়েছে গল্প। তবে ছবির সবচেয়ে ভালো দিক হলো, এটি শুধুমাত্র চেনা প্রেমের ত্রিভুজে আটকে থাকেনি। গল্পে কয়েকটি অপ্রত্যাশিত মোড় রয়েছে, যা আগ্রহ ধরে রাখে।

Cocktail 2
ককটেল ২

অভিনয়ের ক্ষেত্রে শাহিদ কাপুর যথেষ্ট পরিণত। বাড়াবাড়ি নেই, বরং সংযত অভিনয়েই চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছেন। কৃতি ছবিতে প্রাণসঞ্চার করেছেন। তাঁর উপস্থিতি এবং আত্মবিশ্বাস নজর কাড়ে। রশ্মিকার অভিনয়ও ভালো। কিন্তু চিত্রনাট্যে তাঁর চরিত্রকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল, ততটা দেওয়া হয়নি। ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আবেগপূর্ণ মুহূর্ত দর্শকের মনে তেমন দাগ কাটতে পারে না।

প্রীতমের সঙ্গীত ছবির অন্যতম বড় শক্তি। গানগুলি গল্পের সঙ্গে সুন্দর ভাবে মিশে গিয়েছে। পাশাপাশি বিদেশের মনোরম লোকেশন এবং সুন্দর সিনেমাটোগ্রাফি ছবিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। তবে ছবির কিছু দুর্বলতাও রয়েছে। প্রথমার্ধ যথেষ্ট প্রাণবন্ত হলেও দ্বিতীয়ার্ধে চিত্রনাট্য কিছুটা ধীরে এগোয়। কয়েকটি আবেগঘন দৃশ্য আরও গভীর হতে পারত। রশ্মিকার চরিত্রের মতোই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জায়গা আরও বিস্তারিত ভাবে দেখানো গেলে গল্পের প্রভাব বাড়ত। কিছু সংলাপও বেশ পরিচিত এবং অনুমানযোগ্য মনে হয়। পাশাপাশি পুরোনো ‘ককটেল’-এর সঙ্গে তুলনা এড়ানো কঠিন, আর সেই তুলনায় নতুন ছবির কিছু মুহূর্ত আবেগের দিক থেকে একটু কম শক্তিশালী বলেই মনে হয়।

Cocktail 2
ককটেল ২

সব মিলিয়ে, ‘ককটেল ২’ নিখুঁত না হলেও একটি উপভোগ্য রোম্যান্টিক ড্রামা। শাহিদের সংযত অভিনয়, কৃতির উপস্থিতি, প্রীতমের সুর এবং সুন্দর ভিজ্যুয়াল ছবিটিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তবে চিত্রনাট্য আরও ধারালো হলে এবং কয়েকটি চরিত্রকে আরও বেশি গুরুত্ব দিলে ছবিটি আরও মনে রাখার মতো হয়ে উঠতে পারত।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *