Suvendu Adhkari’s Announcement: ‘এই প্রথমবার…’, বাজেটের পর ফের সুখবর দিলেন শুভেন্দু অধিকারী | BJP forms the first Zilla Parishad in East Medinipur in the era of change
সৌমেন মণ্ডল ও প্রদীপ্তকান্তি ঘোষের রিপোর্ট
কলকাতা: বাংলাকে ঢেলে সাজাচ্ছে রাজ্যের বিজেপি সরকার (BJP)। সোমবারই জনমুখী বাজেটের ঘোষণা করেছে তারা। এর মধ্যেই বিকেলে এল আরও একটি সুখবর। আর সেই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কী সেই সুখবর? বদলের বাংলায় এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রী জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে বোর্ড গঠন করছে বিজেপির (BJP)। জেলা পরিষদের নতুন সভাধিপতি হলেন বামদেব গুছাইত। আর সহ সভাধিপতি নির্বাচিত হলেন বাঁশুরি পণ্ডিত।
শুভেন্দু অধিকারী কী লিখেছেন?
মুখ্য়মন্ত্রী আনন্দের খবর ভাগ করতে গিয়ে লিখেছেন, “অত্যন্ত আনন্দের বিষয়, ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার কোনও জেলা পরিষদের বোর্ড গঠন করেছে।” এরপর তাঁর সংযোজন, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ আজ থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বামদেব গুছাইতকে সভাধিপতি এবং শ্রীমতী বাঁসুরি পণ্ডিত কে সহকারী সভাধিপতি হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।”
তাঁর আরও বক্তব্য, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের দক্ষ নেতৃত্ব, জনসেবার প্রতি অঙ্গীকার এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে পূর্ব মেদিনীপুরের সার্বিক অগ্রগতি আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।”
এক নজরে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদ
এর আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ ছিল তৃণমূলের। গত ৫ জুন জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন তৃণমূলের উত্তম বারিক। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ৭০। তৃণমূলের- ৫৬। বর্তমানে ২ জন মৃত। বিজেপির-১৪ জন।
জেলা প্রশাসনের তরফে নতুন সভাধিপতি নির্বাচনের দিন স্থির করা হয় সোমবার। সোমবার তৃণমূলের প্রায় ৪৭ জন জেলা পরিষদের সদস্য এবং বিজেপির ১৪ জন জেলা পরিষদের সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির তরফে বামদেব গুছাইতের নাম জেলা সভাধিপতি হিসাবে প্রস্তাব করা হয়। উপস্থিত তৃণমূল এবং বিজেপি সদস্যরা বামদের গুছাইতকে সভাধিপতি পদে সমর্থন করেন। এরপর বিজেপির তরফে সহ সভাধিপতি বাঁশুরি পন্ডিতকে বেছে নেন। বিজেপি এবং তৃণমূল সদস্যরা এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন।
এত দিন ধরে বিভিন্ন পুরসভার বদল হচ্ছে। কোথাও বোর্ড ভেঙে যাচ্ছে। কোথাও বিদ্রোহ চলেছে। এত সব কিছুর মধ্যে কোথাও কোনও বোর্ড গঠন হয়নি। ফলত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সেক্ষেত্রে একটা দৃষ্টান্ত তৈরি করল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা