মমতা আমলের মাদ্রাসা বাজেট কেটে অর্ধেক করল শুভেন্দু সরকার - 24 Ghanta Bangla News
Home

মমতা আমলের মাদ্রাসা বাজেট কেটে অর্ধেক করল শুভেন্দু সরকার

Spread the love

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে (madrasa budget)। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে, অন্যদিকে…

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে (madrasa budget)। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে, অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে কেউ কেউ ‘উন্নয়নমুখী পুনর্বিন্যাস’ বললেও, বিরোধীরা এটিকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি অবহেলা বলে সমালোচনা করছেন।

নতুন বাজেট অনুসারে, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ২,১৬৫ কোটি টাকা। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের শেষ বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৫,৭১৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক ধাক্কায় প্রায় ৬২ শতাংশ বরাদ্দ কমানো হয়েছে। এই বিভাগের আওতায় মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির অনুদান, সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের স্কলারশিপ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি চলে।

আরও দেখুনঃ বয়স্ক, বিধবা ও বিশেষ ভাবে সক্ষমদের মাসিক কত টাকা ভাতা বাড়ল বাজেটে?

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ১,৮২১ কোটি টাকায়। তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে এই খাতে ছিল মাত্র ৯২০.১৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ, উত্তরবঙ্গের জন্য বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিংসহ উত্তরবঙ্গের অনুন্নত এলাকাগুলিতে রাস্তাঘাট, সেতু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।

নতুন সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন, বাজেটে কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্য করা হয়নি। বরং দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত উত্তরবঙ্গের পিছিয়ে পড়া জনজাতি, চা শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এক মন্ত্রী বলেন, “আমরা সবার জন্য উন্নয়ন চাই। কিন্তু যেখানে বেশি প্রয়োজন, সেখানে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষাকেও আধুনিকীকরণ করা হবে, শুধু অন্ধকারে রাখা হবে না।”বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তাদের নেতারা বলছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি এই বাজেট ‘প্রতিশোধমূলক’। আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি বলেছেন, সংখ্যালঘু যুবকদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষায় লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করে। হঠাৎ করে এতটা বরাদ্দ কমানো তাদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *