কর্মসংস্থানে চমক! ১ লক্ষ শূন্যপদ পূরণের ঘোষণা, মহিলাদের জন্য ৩৩% সংরক্ষণ
কলকাতা: নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে প্রত্যাশামতোই কর্মসংস্থানকে পাখির চোখ করা হল। সোমবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে রাজ্যবাসীর জন্য মেগা চমক দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।…
কলকাতা: নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে প্রত্যাশামতোই কর্মসংস্থানকে পাখির চোখ করা হল। সোমবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে রাজ্যবাসীর জন্য মেগা চমক দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। দীর্ঘদিনের নিয়োগ-জট কাটিয়ে রাজ্যে এক ধাক্কায় ১ লক্ষ সরকারি শূন্যপদ পূরণের ঐতিহাসিক ঘোষণা করল নতুন সরকার। একইসঙ্গে, নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এই চাকরিগুলির মধ্যে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। (West Bengal 1 Lakh Government Jobs 2026)
বেকারত্ব দূর করতে বাজেটে যে বড়সড় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, সেই জল্পনা আগে থেকেই ছিল। এদিন অর্থমন্ত্রী তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করে দেন, কোন কোন ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হতে চলেছে।
রাজ্যে স্কুলগুলিতে শিক্ষক ঘাটতি মেটাতে এবং শিক্ষা পরিকাঠামো মজবুত করতে ৫০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হবে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে ২০ হাজার পুলিশ কর্মী নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি শূন্যপদগুলি রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরে আনুষঙ্গিক কাজের জন্য পূরণ করা হবে।
প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নয়া উদ্যোগ
শুধু কর্মসংস্থানই নয়, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসারেও বাজেটে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের উন্নত মানের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য নিউটাউনে একটি অত্যাধুনিক ‘সিভিল সার্ভিস ইনস্টিটিউশন’ (Civil Service Institution) তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছে সরকার।
বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আরও প্রসারিত করতে কলকাতায় একটি সম্পূর্ণ নতুন ‘সংস্কৃতি স্কুল’ নির্মাণ করা হবে।
ডিএ বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজ্যে বিপুল সংখ্যক নিয়োগের এই মেগা ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের চাকরিপ্রার্থী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলি দ্রুত শুরু হলে রাজ্যের বেকারত্ব সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।