শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিনে রাজ্যজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রীর
অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ (West Bengal Budget 2026) ঘোষণা করেছেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেন, “৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদের…
অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ (West Bengal Budget 2026) ঘোষণা করেছেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেন, “৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদের (Syama Prasad Mookerjee) জন্মদিনে এ বার থেকে রাজ্যে ছুটি থাকবে।” একই সঙ্গে তিনি আরও জানান, ডঃ শ্যামাপ্রসাদের স্মৃতিতে একটি বিশাল ১২৫ কোটি টাকার মূর্তি নির্মাণ করা হবে এবং তাঁর স্মরণে গ্রন্থাগার উন্নয়নের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে।
এই ঘোষণার মাধ্যমে রাজ্য সরকার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি ছিলেন একজন প্রভাবশালী নেতা, যিনি শিক্ষা, প্রশাসন এবং জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর (West Bengal Budget 2026) জন্মদিনে রাজ্যজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে তা একদিকে যেমন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে, অন্যদিকে এটি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক হতে পারে।
অর্থমন্ত্রী জানান, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক(Syama Prasad Mookerjee) ছুটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এর মাধ্যমে একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। শ্যামাপ্রসাদের স্মৃতিকে জীবন্ত রাখতে ১২৫ কোটি টাকার একটি বিশাল মূর্তি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মূর্তিটি রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সরকারের মতে, এই প্রকল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁর জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেবে।
এছাড়াও, শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর (Syama Prasad Mookerjee) অবদানকে স্মরণ করে গ্রন্থাগার উন্নয়নের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন গ্রন্থাগারের আধুনিকীকরণ, নতুন বই সংযোজন, ডিজিটাল লাইব্রেরি ব্যবস্থা এবং গবেষণা সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত উপকারী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একাংশ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এটি ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাদের মতে, শ্যামাপ্রসাদের মতো ব্যক্তিত্বের অবদানকে স্মরণ করা সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
অন্যদিকে, কিছু সমালোচক এই বিপুল ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, ১২৫ কোটি টাকার মূর্তি নির্মাণ এবং ২০০ কোটি টাকার গ্রন্থাগার প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে আরও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা যেতে পারত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো ক্ষেত্রে এই অর্থ ব্যবহার করা হলে তা আরও বেশি জনকল্যাণমূলক হতো বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন।