ফেরার কৃষ্ণের সম্পত্তি ভেবে সরকারি ইকো ট্যুরিজ়ম হাবে ভাঙচুর
বৈকুণ্ঠপুরের জঙ্গল ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরানীর ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া তিস্তাপারের গৌড়িকোনে ওই জায়গায় প্রতি শীতেই পরিযায়ী পাখিরা ভিড় জমায়। আবার ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে সতীপিঠের একপিঠ ভ্রামরী দেবীর মন্দির। রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন গৌড়িকোন মন্দিরও। এমন একটি জায়গাকে কাজে লাগিয়ে একদশক আগেই ইকো ট্যুরিজম হাব তৈরি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পরে প্রধানের দায়িত্বে এসে এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যান কৃষ্ণ দাস। গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশে এসে দাঁড়ায় পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তর। গৌড়িকোনে ৭০ বিঘা জমি চিহ্নিত করে ২০১৯ থেকে কাজ শুরু হয়। হাব তৈরি করতে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে দুই দফায় প্রায় ২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল বারোপাটিয়ার গ্রাম পঞ্চায়েতকে। কথা ছিল হাবটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে দিয়ে চালিয়ে প্রতিমাসে কিছু টাকা সরকারি কোষাগারে দিতে হবে। ২০২৪–এর ১৫ জানুয়ারি আনন্দ মঠ নামে এই ইকো ট্যুরিজম হাবের উদ্বোধন হলেও অভিযোগ, স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে দেওয়া তো দূরের কথা, গোটা হাব নিজের দখলে রেখেছিলেন কৃষ্ণ। ফলে ওটা তাঁর সম্পত্তি বলেই চিহ্নিত হয়ে গিয়েছে স্থানীয় মানুষের কাছে। স্থানীয় বাসিন্দা রমেশ রায় বলেন, ‘এখানে চারটি কটেজ আছে। নদীর চরে গোরু চরাতে এসে কয়েকদিন আগে ভাঙচুরের বিষয়টি নজরে পড়ে। কটেজের দরজা খোলা। ভিতরে কিছুই আর আস্ত নেই। মনে হয়, একদিনে এই কাজ করা হয়নি।’