শুধু ভোজ নয়, কী ভাবে করবেন ষষ্ঠীব্রত? জানুন পুজোর সম্পূর্ণ নিয়ম
ব্রতকথা পাঠ
ব্রত পালনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে মা ষষ্ঠীর কাহিনি বা ব্রতকথা শোনা বা পাঠ করা। প্রচলিত বিশ্বাস, ব্রতকথা পাঠ না করলে ব্রতের পূর্ণ ফল লাভ হয় না। পুজোর সময় সন্তানদের মঙ্গল, পরিবারের সুখ-শান্তি এবং জামাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে প্রার্থনা করতে হবে।
জামাইয়ের আচার
অনেক পরিবারে ধান, দূর্বা ও চন্দন দিয়ে জামাইকে আশীর্বাদ করার রীতিও প্রচলিত। এই সব আচার শুভ ও মঙ্গলসূচক বলে মনে করা হয়। পুজো শেষ হওয়ার পর জামাইকে সাদরে আপ্যায়ন করা হয় এবং তাঁর পছন্দের বিভিন্ন খাবার পরিবেশন করা হয়। তবে এই আপ্যায়নের মূল উদ্দেশ্য কেবল ভোজ নয়, পারিবারিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করা এবং আত্মীয়তার বন্ধনকে গভীর করা।
কোন কাজ করবেন না?
জামাইষষ্ঠীর দিনে বাড়িতে অশান্তি, ঝগড়া বা নেতিবাচক আচরণ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। এই দিন শান্ত ও আনন্দময় পরিবেশ বজায় রাখলে মা ষষ্ঠীর আশীর্বাদ লাভ করা যায়। পুজোর সামগ্রী ও প্রসাদ অপচয় না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
জামাইষষ্ঠীর ব্রত হলো মা ষষ্ঠীর আশীর্বাদ প্রার্থনা, সন্তানের মঙ্গল কামনা এবং পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য এক ধর্মীয় ও সামাজিক আচার।