দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার অসিতের
২০১৯ সালে লোকসভায় তৃণমূলের ফল খারাপ হলেও, ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে চুঁচুড়া কেন্দ্রে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে পরাস্ত করে চুঁচুড়ায় বিজেপিকে রুখে দেন অসিত। ২০২৪ সালে হুগলি কেন্দ্রে সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়ে আনার পিছনেও অসিতের ভূমিকা ছিল। কিন্তু এর পরেই রচনার সঙ্গে অসিতের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। অনেকেই মনে করেন, রচনা কলকাঠি নাড়াতেই এ বার অসিত মজুমদারকে প্রার্থী করেনি তৃণমূল। কিন্তু তার পরেও দলের শৃঙ্খলা মেনে ভোটে প্রার্থীর হয়ে লড়াই করেছিলেন। এ বিষয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি প্রিয়াঙ্কা অধিকারী বলেন, ‘সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠীবাজি করে অসিত মজুমদারকে বঞ্চিত করেন। কিন্তু দল ক্ষমতাচ্যুত হতেই, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। রচনা এ-ও বলছেন, ১৫ বছরে অনেক কাজ করা যায়নি। এই দ্বিচারিতার জবাব মানুষ ঠিক সময়ে দেবেন।’ শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন তৃণমূলের সভাপতি অরিন্দম গুঁই বলেন, ‘অসিত মজুমদার আমাদের সিনিয়র লিডার। তাঁকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা ভোটে হেরে যেতে পারি, কিন্তু হারিয়ে যাইনি।’