কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে বাড়ি ঘেরাও, পলাতক সুপারভাইজ়ার - 24 Ghanta Bangla News
Home

কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে বাড়ি ঘেরাও, পলাতক সুপারভাইজ়ার

Spread the love

এই সময়, মালদা: সরকারি প্রকল্পে ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বহু গ্রামবাসীদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল কোতোয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক সুপার ভাইজারের বিরুদ্ধে। বুধবার শতাধিক মহিলা উপভোক্তা সুপারভাইজ়ারের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান।

বিক্ষোভের জেরে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের দৌলতপুর এলাকার সুপারভাইজার প্রদীপ হালদার বাড়ি থেকে পালিয়ে গা ঢাকা দেন বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগপত্র ইংরেজবাজার থানাতে জমা দেওয়া হয়। যদিও অভিযুক্তের বাবা আদিত্য হালদারের দাবি, তাঁর ছেলে নির্দোষ। তাঁকে ষড়যন্ত্র করেই ফাঁসানো হচ্ছে।

দৌলতপুর এবং কাজলদিঘি গ্রামের বহু মানুষ বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পে ২০২২–এ আবেদন করেছিলেন। আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় তাঁরা প্রথম কিস্তির টাকা পান। অভিযোগ, এরপর দ্রুত দ্বিতীয় কিস্তি টাকার অ্যাকাউন্টে ঢোকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসংখ্য উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেন প্রদীপ।

যদিও উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাননি বলে দাবি করেন। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতেই এদিন অসংখ্য মহিলা ওই সুপারভাইজারের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিন বিক্ষোভকারী শকুন্তলা পাল, নমিতা পাল বলেন, ‘কাটমানি না দিলে প্রকল্পের টাকা মিলবে না বলে কাটমানি নিয়েছিলেন সুপারভাইজার। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আর মেলেনি। যেহেতু এতদিন ক্ষমতায় তৃণমূল ছিল এবং কোতোয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতটি তৃণমূলের দখলে, ফলে আমরা মুখ খোলার সাহস পাচ্ছিলাম না।’

টাকা ফেরত না দিলে বাড়ি ঘেরাও করে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন চলবে বলে হুমকি দেন তাঁরা। স্থানীয় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য অসীম বারুই বলেন, ‘অবিলম্বে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করুক।’ পঞ্চায়েত প্রধান সন্দীপ ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জানা নেই। তবে সরকারি নিয়ম মেনেই এলাকার প্রকৃত উপভোক্তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ ঘটনার পর থেকে মোবাইলের সুইচ অফ করে দিয়েছেন প্রদীপ হালদার।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *