‘কংগ্রেসের সঙ্গে মিশতে চাইছে’, বিদ্রোহের কারণ বিড়লাকে জানিয়ে এলেন শিবসেনার নিখোঁজ সাংসদরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘কংগ্রেসের সঙ্গে মিশতে চাইছে’, বিদ্রোহের কারণ বিড়লাকে জানিয়ে এলেন শিবসেনার নিখোঁজ সাংসদরা

Spread the love

আদর্শচ্যুত হয়েছেন উদ্ধব ঠাকরেরা। তাঁরা শিবসেনাকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তাই তাঁরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তাঁরা! অবশেষে অন্তরাল থেকে বেরিয়ে এসে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে এ কথা জানিয়ে এলেন উদ্ধবের শিবসেনার ৬ জন সাংসদ। শুধু তা-ই নয়, লোকসভায় তাঁদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করারও আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙনের পরে উদ্ধবসেনায় ভাঙন নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। উদ্ধব শিবির দাবি করেছে, তাদের দলের ৬ জন লোকসভার সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। নানা রকম প্রলোভন দেখিয়ে ভাঙানোর চেষ্টা হচ্ছে তাঁদের। গত কয়েক দিন ধরে এ নিয়ে বিস্তর টানাপড়েন চলছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে। বৃহস্পতিবারও ওই ৬ জন সাংসদকে হুমকি দিয়েছে উদ্ধব শিবির। ঘটনাচক্রে, তার পরেই বিড়লার দ্বারস্থ হলেন বিদ্রোহীরা। তাঁরা হলেন নাগেশ আস্তিকার, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাতিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বালকর এবং ভাউসাহেব ওয়াকচৌরে।

সূত্রের দাবি, বিদ্রোহীরা লোকসভার অধ্যক্ষকে জানিয়েছেন, তাঁদের দল কংগ্রেসের সঙ্গে জুড়ে যেতে চাইছে। এই কারণেই তাঁরা দূরত্ব বজায় রাখছেন। উদ্ধবের নেতৃত্ব নিয়েও যে তাঁরা খুশি নন, সে কথাও জানানো হয়েছে স্পিকারকে। বিদ্রোহীরা দাবি করেছেন, ভোটের সময়ে তাঁরা উদ্ধব এলাকায় ডেকেছিলেন প্রচারের জন্য। কিন্তু তিনি যাননি। উদ্ধবের ছেলে আদিত্য ঠাকরের ঔদ্ধত্য নিয়েও তাঁরা রুষ্ট বলে জানিয়েছেন স্পিকারকে। যদিও বিদ্রোহীরা প্রকাশ্যে কেউ কিছুই বলেননি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই সংসদীয় দলের বৈঠকের পরে বিদ্রোহীদের হুমকি দিয়েছিল উদ্ধব শিবির। ওই শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত প্রকাশ্যে বলেন, ‘দল এবং দলের কর্মীরা ওঁদের সাংসদ বানিয়েছেন। দলের সেই কর্মীরা কিন্তু এখন রাস্তায়। নিজের নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে যান। যদি আপনারা সত্যিই যান, সঙ্গে ভারতীয় সেনাকে নিয়ে যাবেন। আমি সকলের সামনেই বলছি, ঘরে থাকা মুশকিল হবে ওঁদের!’ দলে ভাঙন রুখতে আদালতের দ্বারস্থ হবে উদ্ধবসেনা? জবাবে রাউত বলেন, ‘তা ভেবে দেখব। যা হচ্ছে, তার জন্য সুপ্রিম কোর্টও দায়ী। দেশের গণতন্ত্র যে ভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তার জন্য সুপ্রিম কোর্ট এবং নির্বাচন কমিশন দায়ী প্রাথমিক ভাবে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *