মূল্যবান সব শিল্পকর্ম ধূলায় পড়ে, কেমন করে সইব!
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৫১ সালে এই প্রতিষ্ঠান ‘গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্ট’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ১৯৮৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ডিগ্রি এবং ১৯৯০ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে পিএইচডি করার সুযোগও অর্জিত হয়, যা এই প্রতিষ্ঠানের গুণগত মানের স্বীকৃতি।
এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিখ্যাত শিল্পী যোগ দিয়েছিলেন। পার্সি ব্রাউন, মুকুল দে, রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, অর্জুন বোস, চিন্তামণি কর প্রমুখ অধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করেছেন। শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন গোপাল ঘোষ, ধীরেন্দ্রনাথ ব্রহ্ম, প্রদোষ দাশগুপ্ত, হরেন দাস, ইশা মহম্মদ, গণেশ হালুই, নিরঞ্জন প্রধান, বাঁধন দাস, বিকাশ ভট্টাচার্য প্রমুখ গুণী মানুষেরা। আরও অনেকেই শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন, যাঁদের নাম স্থানাভাবে উল্লেখ করা হয়ে উঠল না। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তনী হলেন অনেক বিশিষ্ট শিল্পী, যাঁরা দেশ ও বিদেশে চির-পরিচিত হয়ে রয়েছেন। যেমন নন্দলাল বসু, যামিনী রায় অতুল বোস, গোপাল ঘোষ, মুকুল দে, চিন্তামণি কর, সত্যেন ঘোষাল, সোমনাথ হোড়, হেমেন মজুমদার, হরেন দাস, শানু লাহিড়ী, গণেশ পাইন, সুনীল দাস প্রমুখ।