TMC Exit: ‘এখন ফিরে যাওয়ার পালা’, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার জল্পনার মাঝেই কেন এমন সুর সুদীপের মুখে? | Sudip Bandyopadhyay Defends TMC Exit, Says ‘Two Thirds Leaving Is Not Defection’
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় Image Credit: TV9 Bangla
নয়া দিল্লি: তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের চিঠিতে শেষ সইটা করেছেন তিনিই। তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙনে তাঁর নামটাই সবথেকে বেশি অবাকের। তিনি ছিলেন তৃণমূলের অন্যতম সিনিয়র সাংসদ। আপাতত তিনি NCPI-তে নাম লিখিয়েছেন। NDA-কে সমর্থন করবেন বলেও জানিয়েছেন। সবথেকে বড় ব্যাপার, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হিসাবেও শোনা যাচ্ছে তাঁর নাম। দিল্লি থেকে ফেরত আসার সময়ে সেই সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্যায় বললেন, “২/৩ অংশ গেলে সেটা ধোকা হয় না। আমি যখন কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে গিয়েছিলাম তখন কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করে গিয়েছিলাম।” আর ‘গদ্দার’ প্রসঙ্গ উঠতেই সাংবাদিকদের বললেন, “১০ বার জিতে যাওয়ার পর আর এসব নিয়ে মন্তব্য করি না।”
তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী ইতিমধ্যেই NCPI তে যোগ দিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে সুদীপ বলেন, “একটা পদক্ষেপ শেষ হয়েছে। এবার সকলের ফিরে যাওয়ার পালা। আবার দ্বিতীয় দফায় ডাক এলে কথা হবে। ২০ জুলাই লোকসভা খুলছে। লোকসভা খোলার আগে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হবে।”
তবে এই গোটা বিষয়টিই যে কাকলি ও শতাব্দী তদারকি করছেন, সেই বিষয়টিও স্পষ্ট করে দেন তিনি। সুদীপের কথায়, ” আমার পক্ষে নিয়মিত দিল্লি আসা সম্ভব নয়, এই বিষয়গুলো মূলত কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় ওঁরাই দেখাশোনা করবে। ব্যাপারটা অনেক দূর এগিয়েছে। এখন বিধানসভাতেও একই ধরনের একটা প্রস্তুতি চলছে।”
কিন্তু বিধানসভা লোকসভায় কতটা কাছাকাছি বসবে উভয়পক্ষ, জোড়াফুল প্রতীক, তৃণমূলের ফান্ড কার কাছে থাকে? এসব প্রশ্নের উত্তরে সুদীপ বলেন, “উভয়পক্ষ কীভাবে বসবে, আরও কাছাকাছি আসবে কিনা, এই দলের পরবর্তী কার্যক্রম কী হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকচিহ্ন, অর্থকরি, সম্পদ-সেগুলো নিয়ে কী পদক্ষেপ হবে, সেগুলো বিচার্য বিষয়। তবে আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বলছে, এগুলো সবই আদালতে নিষ্পত্তি হবে। লোকসভার স্পিকারের যা কাজ, ব্লক তৈরি করে দেওয়া, পার্টি অফিস তৈরি করা, সেগুলো দ্রুত সম্পন্ন করবেন।”
সুদীপ তৃণমূল ছাড়লেন। প্রশ্ন উঠছে, এ বার তাঁর স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিদ্রোহী পরিষদীয় দলে নাম লেখাবেন? সুদীপের স্পষ্ট উত্তর, ‘নয়না তৃণমূল কংগ্রেসেই রয়েছে।’