Private Tuition Rules: ‘কোনও স্কুল শিক্ষকই আর টিউশন পড়াচ্ছে না, আমরা চাই…’, মা-বাবাদের নিয়ে জেলাশাসকের অফিস ঘিরে ফেলল পড়ুয়ারা | Guardians protest in front of the District Magistrate’s office against the mandate to send children for private tuition to government school teachers
জোরদার আন্দোলনে পড়ুয়ারা Image Credit: TV 9 Bangla
বালুরঘাট: সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের কাছে টিউশন পড়তে দিতে হবে। এই দাবিকে সামনে রেখে বিগত কয়েকদিন ধরেই লাগাতার রাস্তায় নামতে দেখা যাচ্ছে অনেক পড়ুয়াকেই। মঙ্গলবার দুপুরে বালুরঘাটে প্রতিবাদ মিছিল করলেন পড়ুয়ারা। সঙ্গ দিলেন অভিভাবকরা। এদিন সকলে মিলে প্রথমে বালুরঘাটে জেলাশাসকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে বালুরঘাটে ডিআই অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন পড়ুয়া থেকে অভিভাবকরা। এক পর্যায়ে ঘরের মধ্যেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন পড়ুয়ারা। খবর যায় পুলিশের কাছে। মুহূর্তেই বালুরঘাট থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ছুটে আসে। আসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিক্ষোভ।
আন্দোলকারীদের দাবি আগামী পরীক্ষা পর্যন্ত এই নিয়ম শিথিল করা হয়। আপাতত স্কুল শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট টিউশন পড়ার অনুমতি দেওয়া হোক। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার আশ্বাস দিয়েছেন ডিআই।
প্রসঙ্গত, রাজ্য পালাবদলের পরেই সরকারি স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ করেছে সরকার। সাফ বলা হয়েছে তাঁরা আর কোনওভাবেই স্কুলে শিক্ষকতার সঙ্গে প্রাইভেট টিউশন করতে পারবেন না।
এদিকে নির্দেশিকা জারি হতেই বালুরঘাটের বহু সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পুরোপুরি টিউশন বন্ধ করে দিয়েছেন। পড়ুয়াদের দাবি, এতেই চাপে পড়ে গিয়েছে তারা। পরীক্ষার আগে কীভাবে তারা তাদের পড়া চালিয়ে নিয়ে যাবে তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছে না। কয়েকদিন আগে গঙ্গারামপুরে এনিয়ে বিক্ষোভ রাস্তা অবরোধ করেছিল পড়ুয়ারা। বালুরঘাটে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিভাবকরা। বিক্ষোভের ছবি দেখা গিয়েছিল দক্ষিণবঙ্গের নানা প্রান্তেও। এবার ফের একই দাবি নিয়ে বিক্ষোভ হল বালুরঘাটে।
আন্দোলনকারী অভিভাবক জয়দেব সাহা বলছেন, “কোনও স্কুল শিক্ষকই আর পড়াচ্ছে না। এদিকে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক হতে আর ৬ থেকে ৭ মাস বাকি আছে। তাই আমাদের দাবি, এই সময়টা অন্তত ছাড় দেওয়া হোক। এই সময়টা অন্তত স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনের অনুমতি দেওয়া হোক।”