‘দিদি, তুমি একজন ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী ছিলে’, অভিমান নয়, আজ শুধু দীর্ঘশ্বাস পড়ে সোনালি গুহর
সোনালি গুহ সে দিনের কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘তমাদা এসে বললেন, সোনালি তোর তো একটা ওয়ার্ড আছে। আমি বললাম, তোরও তো ওয়ার্ড আছে। তমাদা বললেন, ‘ওটা মমতার ওয়ার্ড। ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড। ওখানে মমতা যাঁকে বলে দেবেন, তাঁকেই মানুষ ভোট দেবেন। কিন্তু তুই বিশ্বাস কর, আমি আর জীবনেও ভোটে দাঁড়াব না’। আমি জানতে চাইলাম, কেন? তমাদা বললেন, ‘অভিষেক জাহাঙ্গিরকে দিয়ে আমাকে থাপ্পড় মারিয়েছে। মমতা যদি এ বার হাত ধরেও আমাকে বলে যে, তমা তুই দাঁড়া, তোকে মন্ত্রী করব, আমি বলব, না। একটা জাহাঙ্গিরের এমন ক্ষমতা যে, ও একটা ফলতা বিধানসভা নেওয়ার জন্য আমাকে চড় মারল?’ ২১ মে, যে দিন পুনর্নির্বাচন হলো, আমি ঘরে বসে টিভি দেখছি। আমার হাজ়ব্যান্ডকে বললাম, ‘দেখো, তমাদার আত্মা আজ বোধহয় শান্তি পেল। জাহাঙ্গির তো বিধায়ক হতে পারলই না, লড়তেও পারল না। সেই ক্ষমতাও ফুড়ুত। উল্টে আজ হাফ প্যান্ট পরিয়ে ঘুরিয়েছে পুলিশ।’ আবারও দীর্ঘশ্বাস সোনালির গলায়। সোনালি বিশ্বাস করেন, তাঁকে আসলে অভিষেক সরাননি, ‘দিদি সরিয়েছেন’।