‘কেন্দ্র-রাজ্যে একই সরকার থাকলে কাজ সহজ হয়! দাবি রচনার
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদ রচনা বন্দোপাধ্যায় (rachana banerjee)স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও বিদ্রোহ নেই এবং থাকবেও না। তবে একইসঙ্গে তিনি…
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদ রচনা বন্দোপাধ্যায় (rachana banerjee)স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও বিদ্রোহ নেই এবং থাকবেও না। তবে একইসঙ্গে তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে, কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকলে কাজ করা অনেক সহজ হত। গত ১৫ বছরে কেন্দ্র-রাজ্যের ভিন্ন রাজনৈতিক দলের কারণে অনেক কাজে বাধা সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।
VIDEO | Delhi: Rebel TMC MP Rachna Banerjee, says, “There can never be any rebellion against her (Mamata Banerjee). We have shared a very old relationship with Didi, and that relationship will always remain the same. The respect we have for her will always remain. But one thing… pic.twitter.com/5z1oPNEqZZ
— Press Trust of India (@PTI_News) June 16, 2026
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রচনা বলেন, “দিদির সঙ্গে আমাদের অনেক পুরনো সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক কখনও বদলাবে না। দিদির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা অটুট থাকবে। কিন্তু একটা সত্য কথা সবাই বলে আমরা দিদির জন্য ভোট পেয়েছি। এটা একদম ঠিক। তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচয় ও প্রতীক হলেন দিদি নিজে। মানুষ দিদির মুখ দেখে ভোট দেয়। আমার মুখ দেখে নয়। তারা ভেবেছিল, রচনা বন্দোপাধ্যায় হয়তো তাদের জন্য কাজ করতে পারবে।
আরও দেখুনঃ https://kolkata24x7.in/sports-news/uruguay-escape-defeat-against-saudi-arabia-fifa-world-cup/
দিদি ছিলেন পিছনে, আর মানুষ ভোট দিয়েছে আমার উপর আস্থা রেখে যে আমি তাদের এলাকার উন্নয়ন করব। এখানে কোনও অসন্তোষ নেই।”তিনি আরও যোগ করেন, “মানুষ আমাদের কাছে কাজ চায়। সেই কাজ করতে গেলে কেন্দ্রের সহযোগিতা খুব জরুরি। দিদির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, অনেক সময় আমরা যেভাবে কাজ করতে চেয়েছি, তা করতে পারিনি। কেন্দ্র ও রাজ্য যদি একই দলের হাতে থাকত, তাহলে অনেক সহজ হত।
গত ১৫ বছরে আমরা সেটা দেখিনি।”রাচনা ব্যানার্জির এই বক্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে দিদির প্রতি তাঁর আনুগত্য অটুট, তবু কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক নিয়ে তাঁর এই খোলাখুলি মন্তব্যকে অনেকেই ‘বিদ্রোহী সুর’ হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক মহলের অনেকে মনে করছেন, এই ধরনের কথা দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।