কেন্দ্রীয় এজেন্সির দফতরে অভিষেক, ঠিক তখনই দিল্লি থেকে এল বড় বার্তা! - 24 Ghanta Bangla News
Home

কেন্দ্রীয় এজেন্সির দফতরে অভিষেক, ঠিক তখনই দিল্লি থেকে এল বড় বার্তা!

Spread the love

দিল্লির রাজনৈতিক মহলে গত রবিবার তৈরি হয়েছিল চরম নাটকীয় পরিস্থিতি। তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের ঘিরে চলা বিতর্ক নতুন মোড় নেয় যখন একদিকে দলের বিদ্রোহী শিবির…

Abhishek Banerjee Faces Internal Heat as Lok Sabha Speculation Grows

দিল্লির রাজনৈতিক মহলে গত রবিবার তৈরি হয়েছিল চরম নাটকীয় পরিস্থিতি। তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের ঘিরে চলা বিতর্ক নতুন মোড় নেয় যখন একদিকে দলের বিদ্রোহী শিবির বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠকে ব্যস্ত, অন্যদিকে তৃণমূল নেতৃত্ব পাল্টা তৎপরতা শুরু করে লোকসভার স্পিকারের দফতরে।(Abhishek Banerjee)

সূত্রের খবর, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সেই বৈঠকের আগে হঠাৎই রাজধানীর ২০ নম্বর আকবর রোডে স্পিকারের সরকারি বাসভবনে পৌঁছে যান তৃণমূলপন্থী সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এবং কীর্তি আজাদ। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই চিঠিতে তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয় এবং বিক্ষুব্ধ সাংসদদের কর্মকাণ্ড নিয়ে দলের আপত্তির কথাও জানানো হয়। চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখেন লোকসভার স্পিকার। এরপরই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, কোনও একতরফা সিদ্ধান্ত নয়, বরং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পরেই তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

স্পিকার সূত্রে খবর, বিক্ষুব্ধ সাংসদদের আবেদন এবং তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ দুই দিকই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। সেই কারণে পৃথকভাবে দুই পক্ষকে ডেকে তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যত স্পিকারের নিরপেক্ষ অবস্থানেরই ইঙ্গিত বহন করছে।

এদিকে ঘটনার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, গত ১৫ জুন দুপুর প্রায় দু’টোর সময় স্পিকার দফতর থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একটি ইমেল পাঠানো হয়। সেই ইমেলে তাঁকে সেদিনই বিকেল চারটের মধ্যে উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য জানাতে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি ছিলেন।

স্বাভাবিক কারণেই তিনি তখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেননি কিংবা ইমেলের জবাব দেওয়ার সুযোগ পাননি। ফলে নির্ধারিত সময়ে তাঁর পক্ষে দিল্লিতে পৌঁছে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতির কথা পরে স্পিকার দফতরকে জানানো হয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *