Katwa: সরকারি মুরগি চুরির অভিযোগ, কাঁচা ডিমে 'স্নান' করলেন তৃণমূল নেতা | TMC Leader Accused of Stealing Government Poultry Aid, Villagers Pelt Him with Eggs in Katwa - 24 Ghanta Bangla News
Home

Katwa: সরকারি মুরগি চুরির অভিযোগ, কাঁচা ডিমে ‘স্নান’ করলেন তৃণমূল নেতা | TMC Leader Accused of Stealing Government Poultry Aid, Villagers Pelt Him with Eggs in Katwa

Spread the love

তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মুরগি চুরির অভিযোগImage Credit: TV9 Bangla

কাটোয়া: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য সরকারি মুরগিই চুরি করে নেওয়ার অভিযোগ। ধরা পড়তেই তৃণমূল নেতার উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন বিক্ষোভকারীরা। কাঁচা ডিম ছুড়ে ছুড়ে কার্যত ‘স্নান’ করিয়ে দিলেন। ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অনুদানের ২৫টির বেশি মুরগি। সেইসঙ্গে বেশ কয়েকটি সেলাই মেশিন, আলমারি ও বস্তা ভর্তি সরকারি নথি ও ফাইল। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম বিশ্বজিৎ দাস।

কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের গোয়ায় গ্রাম পঞ্চায়েতের বাদরা গ্রাম। জানা গিয়েছে, কয়েকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নেত্রী হিসাবে আনন্দধারা প্রকল্পের অধীনে সংঘের দায়িত্বে ছিলেন বিশ্বজিৎ দাসের স্ত্রী রেখা দাস। অভিযোগ, তিনি বিভিন্ন গোষ্ঠীর মহিলাদের জন্য দেওয়া মুরগি নিজের বাড়ির ছাদে লুকিয়ে রেখে দিয়েছিলেন বিক্রির করবেন বলে। এছাড়াও কয়েকটি মহিলাদের সেলাই মেশিন বাড়িতেই গোপনে রেখেছিলেন। যা থেকে সেলাই মেশিন খুলে বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। এছাড়াও তাঁর বাড়ির আলমারি ভর্তি গোষ্ঠীর নথি ও কয়েক বস্তা নথিপত্র মিলেছে। পাওয়া গিয়েছে ল্যাপটপ। 

বিশ্বজিৎ দাস স্থানীয় তৃণমূল নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, এলাকার মহিলাদের সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন বিগত কয়েক বছর আগে। রবিবার স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে পারেন, রেখা দাসের বাড়িতে সংঘের নানা অনুদান মজুত রয়েছে। একে একে উদ্ধার হয় মুরগি সহ বিভিন্ন সরকারি অনুদান।

তখনই বিশ্বজিৎ দাসকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা। খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছায় কাটোয়া থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃণমূল ওই নেতাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। সেইসময় বাড়িতে ছিলেন না রেখা দাস। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। বলেছিলেন, গ্রামের ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াতে। ওটা সরকারি চাকরি হবে। ২ মাস পড়িয়েছি। কোনও টাকা পাইনি। তখন আমার ২০ হাজার টাকা চেয়েছি। ফেরত দেননি। এরকম অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *